সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
স্ক্যান করে অনলাইনে পড়ুন
jagobulletin.com /jagobulletin22 ঢাকা, বাংলাদেশ

২২ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক’ ইউনিটের পরীক্ষা দিয়ে ভর্তিযুদ্ধ শুরু

জাগো বুলেটিন ID: EP-13844

বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে দেশের গুচ্ছভুক্ত ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ( সম্মান) ভর্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে। আজ (শনিবার) ৩০ জুলাই, সারাদেশে একযোগে ১৯ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দুপুর ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত চলে এ পরীক্ষা।

সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, শনিবার সকাল থেকে ভর্তিইচ্ছু পরীক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পরীক্ষা দিতে ১৯ টি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আশে পাশে অবস্থান করে। দূরদূরান্ত থাকা বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে শুক্রবার সন্ধ্যার আগে নিকট আত্মীয় কিংবা বিভিন্ন ক্যাম্পাসে পরিচিত সিনিয়রের মেস এবং হলে উঠে যায় বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

এছাড়াও পরীক্ষা শুরুর দুই-তিন ঘন্টা আগে ক্যাম্পাসের আশেপাশের জায়গায় অভিভাবক সহ পরীক্ষার্থীরা অপেক্ষা করতে থাকে। সকাল নয়টায় ক্যাম্পাসের গেট খুলে দিলে তারপর সকল পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র নিয়ে ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রবেশ শুরু করে। ক্যাম্পাসের প্রধান গেট, দ্বিতীয় গেট, তৃতীয় গেটসহ চতুর্থ গেট দিয়ে যথাযথ নিয়মকানুন মেনে বিএনসিসি এবং রোভার স্কাউটের সদস্যদের সহযোগিতায় নির্বিঘ্নে কেন্দ্র প্রবেশ করে ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীরা।

এদিকে পরীক্ষাকে কেন্দ্রে করে পুরান ঢাকার যানজট নিরসনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে চিঠি দেওয়া হয় কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে তেমন কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি দেখার মতো। যদিওবিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশে মোতায়েন ছিল পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ।

মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রনি ইয়াসিন বলেন, ২২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একসাথে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আমাদের অনেক উপকার হয়েছে। বারবার পরীক্ষা দিতে হবে না আমাদের। মানসিক এবং আর্থিকভাবে আমরা লাভবান হয়েছি। আমি মনে করি দেশের সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা একসঙ্গে হওয়া প্রয়েজন।

ইয়াসিন আরও বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা দিতে যেতে অনেক ভোগান্তি এবং হয়রানির শিকার হতে হয়েছে আমাদেরকে। বিশেষ করে স্থান থেকে অন্য স্থানে গিয়ে পরীক্ষা দিতে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকাংশ দুর্ভোগ পোহাতে হয়। আশাকরি অচিরেই সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয় একসঙ্গে পরীক্ষা নিবে আগামীতে।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীরদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের বলা হয়েছে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে কথা কিন্তু বাহিরের প্রশ্ন থেকে ২৫% বেশি প্রশ্ন এসেছে। এটা একেবারে অন্যায় করা হয়েছে।

জবির সহকারী প্রক্টর শাহনাজ পারভীন বলেন, ৮০ জন শিক্ষার্থী কেন্দ্র চেক না করেই আমাদের এখানে চলে এসেছিলো। ওই মুহুর্তে ওদেরকে অন্য কেন্দ্রে পাঠালে তারা পরীক্ষা দিতে পারতো না। তাই মানবিক দিক বিবেচনায় তাদের পরীক্ষা ক্যাম্পাসেই নেওয়া হয়েছে।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, পরীক্ষার কেন্দ্রের সার্বিক অবস্থায় গতবারের চেয়ে এবার আরও ভালো। আমরা নয়টি কেন্দ্র একযোগে পরীক্ষা নিচ্ছি ঢাকা শহরে। যানজট নিরসনে নেয়া হয়েছে বিশেষ পদক্ষেপ এবং প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা পরীক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে দুপুর ১২ টায় পরীক্ষা শুরু করেছি যানজটের জন্য তারপরও যদি কোনো শিক্ষার্থী দেরি করে সেটা তার একান্ত বিষয়।