তৃতীয় মূল্যায়নে সফল নিটারের শিক্ষার্থী মারুফ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ (নিটার) এর ইইই ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম মারুফ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ হতে “ডেভলপমেন্ট অফ অ্যান্টিগ্র্যাভিটি ডিভাইস ইউজিং আর্টিফিশাল ইন্টেলিজেন্স” শীর্ষক গবেষণার উদ্ভাবনের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের অবশিষ্ট অনুদান লাভের চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে।
এই মূল্যায়ন এর আগে ২ বার যথাক্রমে ২০২২ সালের ৩১শে জানুয়ারী এবং ২০২৩ সালের ১১ই এপ্রিল হলে ও সে সন্তোষ জনক অগ্রগতির মূল্যায়ন লাভ করেনি। অনেক জ্ঞানী ব্যক্তিত্ব তার প্রজেক্ট অসমাপ্ত রেখেই শেষ করার পরামর্শ দিলেও, সে ইচ্ছেশক্তি দিয়ে কাজ চালিয়ে গেছে। ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়নকারীর সাক্ষাৎকার এবং প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ভার্চুয়ালি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী জানান বর্তমানে তিনি জনাব কামরুল আলম খান, অধ্যাপক, পদার্থবিদ্যা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর তত্ত্বাবধানে গবেষণা করছেন এবং গবেষণা বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি পেপার পাবলিশ করেছেন, কিন্তু হাই-ভোল্টেজ পাওয়ার সাপ্লাই এর অভাবে মূল কাজটি এখনো করতে পারেননি। তবে, ইতোমধ্যে বিদেশ হতে তা সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন যা শীঘ্রই পাওয়া যাবে।
এমতাবস্থায়, প্রকল্পের অগ্রগতি উল্লেখ্যযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে পরবর্তী মূল্যায়নে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। উক্ত মূল্যায়নে সন্তোষজনক বিবেচিত হলেই পরবর্তী কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এছাড়া, প্রকল্পের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যানেজমেন্ট এর অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডা. মো. শাহেদুল আলম কে প্রকল্পের মেন্টর হিসেবে মনোনয়নের সুপারিশ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ১১ই এপ্রিল তারিখের সভায় মূল্যায়ন কমিটির সিদ্ধান্তে প্রকল্প বাস্তবায়নকারীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী জানান যে, তিনি বিদেশ হতে হাই ভোল্টেজ পাওয়ার সাপ্লাই আনলেও কাজ করার জন্য যথাযথ ল্যাব এর সাপোর্ট পাচ্ছেন না। এ বিষয়ে আইসিটি বিভাগের মাধ্যমে বুয়েট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হলেও তারা তা প্রদানে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। কয়েকটি শর্ত নিয়ে পরবর্তীতে মূল্যায়ন এর জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। শর্ত হচ্ছে প্রকল্পের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। সর্বশেষ ৩য় ধাপেই তার কাজ মূল্যায়ন কমিটির দৃষ্টিভংগিতে সন্তোষজনক অগ্রগতি লাভ করেছে এবং ৩১শে মার্চ,২০২৪ সালে অবশিষ্ট ২য় কিস্তি অনুদান লাভের মঞ্জুরিপত্র পেয়েছে।