সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
স্ক্যান করে অনলাইনে পড়ুন
jagobulletin.com /jagobulletin22 ঢাকা, বাংলাদেশ

পারিবারিকভাবে হাঁস পালনে পিংকি রানী নাথের ভাগ্য বদল

জাগো বুলেটিন ID: EP-15295

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার ছদুরখীল, এলাকার পিংকি রানী নাথ পিতা-মাতা মারা যাওয়ার পর আর্থিক টানাপোড়েনের সংসারে অভাব মোচন হচ্ছে না কোনোভাবেই। নিজের সাধ্য অনুযায়ী চলতি বছর কুমিল্লা জেলা থেকে দেশী জাতের ৪৫০ টি হাঁস নিয়ে  ছদুরখীল এলাকায় নিজ বাড়ী ঘরে তুলেন পারিবারিক হাঁসের খামার।

কয়েক মাসে  পর থেকেই ভাগ্য বদলাতে শুরু করেন পিংকি রানী নাথের সফলতার সূচনা দেখতে শুরু করেছে।

গত কয়েক বছর অভাব অনটনে কেটে গেলেও এখন তিনি অনেকটা সফল খামারি। মানিকছড়ি উপজেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত পশ্চিমে ছদুরখীল হিন্দুপাড়া। এখানে খোলা পরিবেশে জলাশয়ে হাঁস পালন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে যাচ্ছে পিংকি রাণী নাথ। প্রতিবেদককে কে তিনি জানান, একজন সফল খামারির পরামর্শ নিয়ে ৪৫০টি হাঁসের বাচ্চা ক্রয় করেন চলতি বছর জুন মাসে। বিভিন্ন রোগের কারণে কিছু সংখক হাঁস মারা গেলেও তার প্রায় সবগুলো হাঁস ডিম দেয়া শুরু করবে ২-৩ মাস পর। বাড়ির পাশেই জলাশয় থাকার কারণে বাড়তি খাবার দিতে হয় না।

তারপরও তাকে দৈনিক কমপক্ষে ১২০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। তার এই সফলতা দেখে এলাকার অনেক বেকার যুবক যুবতী এখন হাঁস পালন উৎসাহ দেখিয়েছে। তিনি জানিয়েছে, আর্থিকভাবে যে কেউ সহযোগিতা না করতে পারলেও হাঁসের চিকিৎসা, টিকা ও পরামর্শ দেয়া হলে সচ্ছলভাবে লালন পালনে আর্থিক ব্যয় কমে আসবে বলে জানান।

উল্লেখ্য যে, তিনি ছদুরখীল এলাকা হিন্দুপাড়া প্রয়াত সাধন চন্দ্র নাথ ও লক্ষ্মী রানী নাথ এর জেষ্ঠ্য কন্যা পিংকি রানী নাথ,  তিনি চট্টগ্রাম মহিলা কলেজ থেকে বাংলা বিভাগের অনার্স পাশ করেন এবং মাস্টার্স ডিগ্রি অধ্যয়ন করছে।

মানিকছড়ি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শহিদুল্যাহ বরেন এমন উদ্যোগ প্রসংসার দাবীদার। মানিকছড়ি যুব উন্নয়ন অফিস হতে প্রাথমিক সহযোগী করা হবে।