রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
স্ক্যান করে অনলাইনে পড়ুন
jagobulletin.com /jagobulletin22 ঢাকা, বাংলাদেশ

বিজয়ের চেতনা জাগ্রত হোক সকল বাঙালির হৃদয়ে

জাগো বুলেটিন ID: EP-35675

উম্মে নাফিজা আক্তার: বাংলাদেশের বিজয়ের ৫২ বছর পূর্তি। বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। বাঙালির যুদ্ধজয়ের আনন্দের এবং আত্মপরিচয় লাভের দিন। বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠতম অর্জনের দিন। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরাজয় স্বীকার করে নেয়। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর এদেশের মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। এর ফলে দীর্ঘ রক্তাক্ত সংগ্রামের অবসান ঘটে। বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয় এবং জন্ম হয় বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের। ‘আমরা স্বাধীন জাতি’। দীর্ঘ একটি পথ অতিক্রম করে আমরা পেয়েছি আমাদের স্বাধীনতা। স্বৈরাচারী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে এ দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন।

৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে দিনটিকে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। নয় মাস মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এর ফলে বাংলাদেশের স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে অভ্যুদয় ঘটে।

১৬ ডিসেম্বর ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর সদস্যরা যোগ দেন। কুচকাওয়াজের অংশ হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন দেশটির রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী। এই কুচকাওয়াজ দেখার জন্য প্রচুরসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়ে থাকে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা নিহত হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে ঢাকার সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মী সহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে থাকেন।

এই দিনটির মাধ্যমেই আমরা নতুন প্রজন্মকে এবং বিশ্বকে বার বার মনে করিয়ে দিই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কথা। খুব কম জাতির ইতিহাসে এরকম একটি স্বর্ণালি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের দেখা পাওয়া যায়।