ঢাকাশুক্রবার , ২১ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আবহাওয়া
  4. কর্পোরেট বুলেটিন
  5. কৃষি সংবাদ
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জেলা সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. ধর্ম ও জীবন
  13. নাগরিক সংবাদ
  14. পদ্মাসেতু
  15. পাঁচমিশালি
আজকের সর্বশেষ সব খবর

নিটারে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

উম্মে নাফিজা আক্তার
মার্চ ২৫, ২০২৪ ১১:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ (নিটার) এ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৫শে মার্চ সোমবার দুপুরে ২ ঘটিকায় নিটারে কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুনাইবুর রশীদ। তাছাড়া আলোচনা সভায় নিটারের শিক্ষক, কর্মচারী এবং ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরু হয় নিটার মসজিদের ইমাম সাহেবের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে।

মার্কিন সাংবাদিক রবার্ট পেইন একাত্তরের ২৫ মার্চ কাল রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল ও জগন্নাথ হলের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা করেছিলেন। তার দেওয়া তথ্যের ওপর ২৫ তারিখের পর ২৬ তারিখে ঢাকা শহরের অবস্থা কেমন ছিলো সেটি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসি ওয়ার্ল্ড এর ছোট একটি প্রামাণ্য চিএ আমরা দেখি। সেখান থেকে আমরা ২৬ তারিখ সকাল বেলার অবস্থা কেমন ছিলো তা জানতে পারি।

তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট ছিলেন শহীদ জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা যাকে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ হত্যা করা হয়েছিল। তাঁর মেয়ে ডক্টর মেঘনা গুহঠাকুরতা একটি উপস্থাপনা বিবিসি বাংলাকে দেন। সেই প্রামাণ্য চিএটি আমার দেখি। সেখানে আমারা ২৫শে মার্চ কালরাতের বর্ননা পাই। উপায় না পেয়ে বাবার লাশ হাসপাতালে রেখে আসতে হয়। সেই মর্মান্তিক ঘটনা আমরা জানতে পারি। তিনি ভেবে নিয়েছেন তার বাবার উৎসর্গের মাধ্যমে একটা দেশ পেয়েছেন। প্রামাণ্য চিএটি দেখে আমাদের সবার চোখে পানি চলে আসে।

ডিপার্টমেন্ট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার নুরুন্নবী বলেন কীভাবে আমারদের বিভিন্ন আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে স্বাধীন হয়, কিভাবে অপারেশন সার্চ লাইটের পরিকল্পনা করা হয় তা বর্ণনা করেন। ডিপার্টমেন্ট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর মোহাম্মদ ফাতেহ আলী তার বক্তব্যের এক পর্যায়ে বলেন ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২৬শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বর উৎযাপন করার বিষয় না। এগুলোকে লালন করে বক্তিগত ও জাতীয় জীবনে প্রতিফলন ঘটেনো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুনাইবুর রশীদ তার বক্তব্যে বলেন, তৎকালীন সময় পশ্চিম পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিলো ২ কোটি আর পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিলো ৪ কোটি। পূর্ব পাকিস্তানের রাজস্বের ৬২% জোগাড় করার পরও পূর্ব পাকিস্তানের জন্য শুধুমাত্র ২৫% ব্যয় করা হতো। সেনাবাহিনীতে পূর্ব পাকিস্তানের যতজন ছিলো পশ্চিম পাকিস্তানের তার ২৫ গুণ বেশি ছিলো।

ইন্দ্রজিৎ কুমার পাল তাঁর মূল্যবান বক্তব্য দেন এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ড. মোহাম্মদ জোনায়েবুর রশীদ স্যারের কাছ থেকে এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত বই মুক্তিযুদ্ধ কোষ ১০টি খন্ডের বই টা রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনার মাধ্যমে আলোচনা সভা সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন হয়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি জাগো বুলেটিনকে জানাতে ই-মেইল করুন- jagobulletinbd@gmail.com