রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
স্ক্যান করে অনলাইনে পড়ুন
jagobulletin.com /jagobulletin22 ঢাকা, বাংলাদেশ

“বঙ্গবন্ধু গরীব দুঃখী ও মেহনতী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চেয়েছিলেন”

জাগো বুলেটিন ID: EP-32799

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের গরীব দুঃখী ও মেহনতী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চেয়েছিলেন। ১৪ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার আগে দেশ কেমন ছিল, তারও আগে কেমন ছিল। পাকা রাস্তা ছিলো না, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ছিলনা। আপনাদের বাড়িতে কোন বাথরুম ছিলনা। গোসল করার কোন পরিবেশ ছিলনা। আজ সবাই হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের এই দেশ টাকে যে ভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছেন আর পাশাপাশি বিএনপি জামাত দেশটাকে পিছনের দিকে ঠেলে নিয়ে যেতে চাচ্ছেন আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ টাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। আগামী ৩ মাস পরে নির্বাচন, আমাদের গনতান্ত্রিক ব্যবস্থা সেখানে জনগণই হলো সকল ক্ষমতার উৎস। কে চেয়ারম্যান, কে মেম্বার হবে আর কে পৌরসভার মেয়র হবে তা আপনারা ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করুন। আগামী সংসদ নির্বাচনে কে সংসদ সদস্য হবে, কে রাষ্ট্র প্রধান হবে , কে সরকার গঠন করবে তারা ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করবেন।

প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষার্থীদের মায়েদের মোবাইলে শিক্ষার বৃত্তি দিচ্ছে শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আপনাদের পরিবারে যে সন্তান আসতেছে তার কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী গর্ভবতীদের ভাতা দিচ্ছেন। কারন এই শিশুটি ও তার মা যেন অপুষ্টতে না ভোগে। মা যেন পুষ্টিকর খাবার পায়। আপনাদের মেয়েরা যাতে বিনা পয়সায় পড়াশোনা করতে পারে তার জন্য উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। বিধবাদের জন্য দেয়া হচ্ছে বিধবা ভাতা। স্বামী পরিত্যক্ত মহিলাদের দেয়া হচ্ছে ভাতা। প্রতিবন্ধীদের দেয়া হচ্ছে প্রতিবন্ধি ভাতা। এদেশের দীর্ঘদিনের ছিটমহলের সমস্যা সমাধান করেছেন।
তিনি ১১ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেলে দেবীগঞ্জ অলদিনি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

পঞ্চগড় ২ আসনের সংসদ সদস্য, পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র আইনজীবি এডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন এমপি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন বোদা ও দেবীগঞ্জের যুব মহিলা লীগ কিভাবে শক্তিশালী করা যায় এবং তার পূর্বেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ও আমার মতো অনেককে ডেকে বলেছিলেন আমাদের দেশে অর্ধেক নারী ও অর্ধেক মহিলা এবং নারীর ক্ষমতায়ন এটা সরকারের আমলে হয়েছে। আমাদের লেখাপড়া করা মেয়েদের অর্থনৈতিক ভাবে নিজের পায়ে দাঁড়ানো এবং আগামী দিনে নারীরা আমাদের জাতীয় জায়গায় নেতৃত্ব দিবে। তার জন্য সরকারের আমাদের যে নীতি আর সে নীতি যদি বাস্তবায়ন হয় এজন্য যুব মহিলা লীগকে শক্তিশালী হতে হবে।

আমরা ঈদ পূর্নমিলনী করেছি। পরে আমরা বোদা ও দেবীগঞ্জে দুই জায়গাতেই মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন করেছি। কিন্তু সে সময় সময়ের অভাবে যুব মহিলা লীগের সম্মেলন করতে পারিনি। তারপরেও আমাদের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে আমরা ১৭ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছিলাম। এই তারিখটি ধরে ১৮ তারিখ বোদা উপজেলা যুব মহিলা লীগের সম্মেলন করবো। যুব মহিলা লীগের নেতৃবৃন্দ দেবীগঞ্জ উপজেলার ১০ টিকে ইউনিয়নের প্রত্যকটি ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে এ যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক কাটামো তৈরি করেছে। এ সম্মেলন করতে থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ নেতা কর্মীরা সহযোগিতা করেছেন সাহস দিয়েছেন। জেলা যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মী যারা এসেছেন তাদের সাথেও কথা বলেছি তারাও আমাদের নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে যুব মহিলা লীগের সম্মেলন সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সভাপতি জেসমিন আকতারের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন যুব মহিলা লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব ও দেবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিতু আকতার। ত্রি বার্ষিক সম্মেলনের উদ্ধোধন করেন যুব মহিলা লীগের পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি ও পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নীলুফার ইয়াসমিন।

যুব মহিলা লীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডেইজি সারোয়ার, সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি, দেবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও দেবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসনাত জামান চৌধুরী জর্জ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান সরকার।
যুব মহিলা লীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলনে দেবীগঞ্জ উপজেলার ১০ ইউনিয়নের যুব মহিলারা ছাড়াও নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।