রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
স্ক্যান করে অনলাইনে পড়ুন
jagobulletin.com /jagobulletin22 ঢাকা, বাংলাদেশ

ঢাকা-১৮ আসনে তৃণমূলের আস্থার প্রতিনিধি কাজী খায়রুল বাসার

জাগো বুলেটিন ID: EP-34427

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। নিজেদের প্রার্থীতা জানান দিতে মাঠে নেমে পড়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। দলীয় কর্মকাণ্ডে সরব উপস্থিতিসহ সামাজিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। কোনো কোনো প্রার্থী আবার নিজ এলাকায় গণসংযোগও শুরু করে দিয়েছেন।

 

এই নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৮ আসনেও শুরু হয়েছে নির্বাচনী তৎপরতা। জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ইতোমধ্যে দল গোছানো ও নির্বাচনী মতবিনিময় শুরু করেছেন। তবে বিএনপির সম্ভাব্য কোনো প্রার্থী এখনো সেভাবে মাঠে নামেননি। এরই মধ্যে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাদের অনুসারীরা। প্রায় প্রতিদিনই উঠান বৈঠক থেকে শুরু করে মতবিনিময় সভা করছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। অন্যদিকে তাদের অনুসারীরা প্রচারণায় সরব হয়ে উঠেছেন।

ঢাকা-১৮ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেতে তৎপরতা শুরু করেছেন দলের অনেক নেতা। ঢাকা-১৮ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছে- আওয়ামী লীগের হাবিব হাসান (বর্তমান এমপি), ইঞ্জিনিয়ার কাজী খায়রুল বাসার, সিদ্দিকুর রহমান, এসএম তোফাজ্জল হোসেন, খসরু চৌধুরী, হাজি ইসহাক মিয়া ও আফছার উদ্দিন খান; বিএনপির এসএম জাহাঙ্গীর, এম কফিলউদ্দিন আহম্মেদ, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন ও বাহাউদ্দিন সাদী; জাতীয় পার্টির শেরিফা কাদের (সংরক্ষিত আসনের এমপি) এবং জেএসডির শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজী খায়রুল বাসার বলেন, আওয়ামীলীগ জনগণের দল। জনগণের কথা মাথায় রেখে দলেন সভপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনা মেনেই আমি দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি। আমি এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে সব সময় পাশে থেকেছি।

ঢাকা-১৮ আসনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আস্থার জায়গায় ইঞ্জিনিয়ার কাজী খায়রুল বাসার আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। এলাকার নেতাকর্মীরা জানান, একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন, স্থানীয় রাজনীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা এবং প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য হওয়ায় নৌকার টিকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে থাকবেন ইঞ্জিনিয়ার কাজী খায়রুল বাসার।

বিগত ৪২ বছর উত্তরা এলাকার আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বাসার। বিশেষ করে করোনা মহামারীর সময় এলাকার যথা সাধ্য সহযোগিতা করেছেন তিনি। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কজে তৃণমূলে শান্তির সুবাস বইছে এটাই আমার দলের বড় সফলতা। আশা করি, মনোনয়ন দেওয়ার সময় বিষয়টি দলের হাইকমান্ড বিবেচনায় নেবে। দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচনী মাঠে লড়াইয়ের পুরো প্রস্তুতি রয়েছে। দলীয় নমিনেশন পেলে দলীয়ভাবে নির্বাচন করার ইচ্ছা আছে এবং নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মাঠে আছি।

আওয়ামী রাজনীতি প্রসঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার বাসার বলেন,  ৪২ বছর ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছি। বাবার হাত ধরে খুলনা শহরে রাজনীতি শুরু। ছাত্র রাজনীতিতে সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছি বহুবার। বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বুকে ধারণ করে আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রীর নির্দেশনায় এখনো কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামীলীগ বিরোধীদলে থাকাকালীন একাধিক মামলার আসামি হয়েছিলাম।

রাজনৈতিক পরিচয় দিতে গিয়ে ইঞ্জিনিয়ার বাসার জানান, ১৯৮৪ সালে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের স্কুল কমিটির সদস্য নির্বাচিত হই। ১৯৮৮ সালে বিএল কলেজের ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হই। ১৯৯১-১৯৯২ সালে তিতুমীর হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শাখার নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হই। ১৯৯২-১৯৯৬ সালে বুয়েট ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হই। ১৯৯৪-১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দলোন ও ইউকসু নির্বাচানের বিপক্ষে অবস্থানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে বহিস্কৃত হই। ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়। ২০০০ সালে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়। ২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হই। ২০২৩ সালে বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ কমিটিতে সদস্য কাজ করছি। এছাড়া আজীবন ফেলো (এফ/৭৭৮৮) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ। সম্মানী সম্পাদক আইইবি ঢাকা কেন্দ্র। প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ক্লাব লি:। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মরত আছি।

দলের জন্য আগামীদিনেও সমানভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। ঢাকা-১৮ আসনে দল তাকে মনোনয়ন দিলে এবং নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিজয় উপহার দিতে তিনি সক্ষম হবেন। তিনি বলেন, এরই মধ্যে আমি নির্বাচনের মাঠে আছি। ওয়ার্ড পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জনগণের মাঝে কাজ করে যাচ্ছি।