পঞ্চগড়ের সারের জন্য হাহাকার, লাইনে দাঁড়িয়েও সার পাচ্ছে না কৃষকেরা
পঞ্চগড়ে সারের জন্য কৃষকের উপচে পড়া ভির। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার টুনিরহাট এলাকায় বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজের সামনে এমন চিত্র দেখা যায়।
কৃষকদের সামলাতে না পেরে পুলিশের সহযোগিতায় পরে লাইনে দাঁড়িয়ে সার বিতরন করা হয়। কিন্তু সার না পেয়ে হতাশায় বাড়ি ফিরে যায় অনেক কৃষক।গত কয়েকদিন ধরে সার না থাকায় পঞ্চগড়ে সারের জন্য এক ধরনের হাহাকার চলছে।
জানা যায় ,সারের জন্য হাহাকার করছেন কৃষক। গত কিছুদিন ধরে উপজেলা সদর থেকে সার উধাও। সার না পেয়ে হয়রানি ও হন্য হয়ে ঘুরছেন কৃষকরা। জমিতে সার না দেওয়ায় রোপা আমনের চারা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত সার সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন তারা।
জেলায় আমন ধান রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লক্ষ ১০ হাজার হেক্টর জমি।
জমিতে আমনের চারা রোপণ প্রায় শেষ। ভাল ফলনের জন্য প্রয়োজন সার কিন্তু কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সার দিতে পারছেনা তারা। তবে বস্তায় ৩-৫ শ টাকা বেশি দিলে মিলছে খুচরা দোকানে।
কৃষকদের অভিযোগ বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটর নবীর হোসাইন সার কৃষকের কাছে বিক্রি না করে, গোপনে চোরাই পথে বিক্রি করে দেয়।
সরকার পাড়া এলাকার কৃষক আবুল কালাম জানান, সার নিতে ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি এখন ১ টা বাজে কোন খবর নাই।এর আগে বৃহস্পতিবার আসে ঘুরে গেছি সার নাই।
কৃষক আবু তাহের জানান,
জমিতে চার বস্তা সারের প্রয়োজন। কিন্তু ডিলারের কাছে সার পাইনি।
কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রাজুয়ার রহমান জানান ,চাহিদার তুলনায় সার অনেক কম হওয়ায় সবাইকে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
পঞ্চগড় সদর থানার উপ-পরিদর্শক দ্বীন মোহাম্মদ জানান, কৃষকরা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল, ১০ টা পার হলেও স্লিপ না পাওয়ায় লাইন ভেঙ্গে সবাই গুদামে ঢুকে যায়।পরে সামলাতে না পারে আমাদের সহযোগিতায় কৃষকদের লাইনে দাঁড়িয়ে সার বিতরন করা হয়।