রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
স্ক্যান করে অনলাইনে পড়ুন
jagobulletin.com /jagobulletin22 ঢাকা, বাংলাদেশ

নগরকান্দায় সরকারি ঘর দেওয়ার নামে কোটি টাকার বানিজ্য

জাগো বুলেটিন ডেস্ক ID: EP-15105

 

রিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় সরকারি ঘর দেওয়ার নামে কোটি টাকার বানিজ্য করে নিলেন তালমা ইউনিয়নের শাকপালদিয়া গ্রামের আব্দুল ওদুদ মিয়া ও তার দালাল চক্র। প্রথম পর্যায়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ত্রাণ ও দুর্যোক মন্ত্রণালয়ের অধিনে বাড়ি বাড়ি অসহায় হতদরিদ্র মানুষের জন্য সরকারি ঘর বরাদ্দ দিলে এই সুযোগে উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন এর চোখ ফাকি দিয়ে মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব এর মাধ্যমে কিছুসংখ্যক সরকারি ঘর বরাদ্দ এনে টাকার বিনিময় এলাকার মানুষকে দেয়।এরপর বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী দালাল চক্র তৈরি করে তাদের এলাকায় গরীব অসহায় হতদরিদ্র মানুষকে ঘর এনে দেওয়ার নামে কৌশলে দালাল চক্রের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় আব্দুল ওদুদ মিয়া। এই সুযোগে দালাল চক্র মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। সরকারি ঘর দেওয়ার নামে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ১০ থেকে শুরু করে ২০/২৫ হাজার টাকার বেশি নিয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।স্হানীয়রা অনেকেই বলেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় তিন শতাধিক লোকজনের থেকে কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়ে গা-ঢাকা দিয়ে আছেন।দালাল চক্ররাই এখন বিপদে। তারা হলেন ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাদল সরদার,কাশিয়ানী উপজেলার তাইজুল ইসলাম টুটন,চরযশোরদী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাহেব ফকির, ছানোয়ার মেম্বার, আবুল মেম্বার,সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জামাল সহ অনেকেই রয়েছে ভুক্তভোগীতের রোষানলে।দালাল চক্রের একজন নাম প্রকাশের সার্থে বলেন আমরা সরকারি ঘর দেয়ার কথা বলে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ওদুদ কে দিয়েছি, সে ঘর না দিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে আছে,আমরা এখন বিপদগ্রস্ত বাড়ি ছাড়ছেনা ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম স্বামী ছানোয়ার, গ্রাম শাকপালদিয়া, হাফেজা বেগম স্বামী সোবাহান মৃধা গ্রাম হাসনহাটি, হালিমা বেগম,সরিয়া বেগম স্বামী রব সেক গ্রাম শাকপালদিয়া তারা জানান আমাগো কাছ থেকে ওদুদ মিয়া সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে, আজ দুই বছর পার হলেও ঘর পাইনি টাকাও ফেরত পাইলাম না।আমাদের টাকায় নিজের বাড়িতে বহুতল ভবন নির্মাণ,আলিশান গাড়ী বাড়ির মালিক। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত পেতে ও সরকারি ঘর দেওয়ার নামে যারা জড়িত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে কঠিন বিচার দাবি করেন। আব্দুল ওদুদ মিয়া এলাকা থেকে পলাতক থাকায় এবং তার ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।