জ্যামে আটকে ছিলেন ডিআইজি, প্রত্যাহার হলেন ওসি
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন শনিবার সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় আধা ঘণ্টাব্যাপী যানজটে আটকে ছিলেন।
এ সময় সড়কে মুরাদনগর থানা পুলিশের কোনো তৎপরতা না থাকায় মুরাদনগর থানার ওসি আবুল হাসিমকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। জেলা পুলিশের বিশেষ একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে প্রত্যাহারের আদেশে ডিআইজির যানজটে আটকে থাকার কোনো বিষয় উল্লেখ করা হয়নি।
এ সময় মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাস টার্মিনাল এলাকায় তিনি ব্যাপক যানজটের কবলে পড়েন। পরে পুলিল সুপারের মাধ্যমে খবর পেয়ে রাস্তায় ছুটে আসেন ওসি। ততক্ষণে ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়।
দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ওসি আবুল হাসিমকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুমে সংযুক্ত করা হলো। নির্দেশিত কর্মস্থল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে শনিবার দুপুর ২টার মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ওসি আবুল হাসিম বলেন, ডিআইজি স্যার এ সড়ক পথে সকাল বেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাবেন এমন কোনো তথ্য আমার কাছে ছিল না। তাছাড়া এ মহাসড়কের যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ এবং ট্রাফিক পুলিশ নিয়োজিত ছিল। তারপরও আমি অবগত থাকলে অবশ্যই যানজট নিরসন করে রাখতাম।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যেকোনো সময়ে যে কাউকে বদলি ও প্রত্যাহার এবং এক স্টেশন থেকে অপর স্টেশনে স্থানান্তর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ওই প্রক্রিয়াতেই আবুল হাসিমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুমে সংযুক্ত করা হয়েছে।