রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
স্ক্যান করে অনলাইনে পড়ুন
jagobulletin.com /jagobulletin22 ঢাকা, বাংলাদেশ

গলাচিপায় চিকিৎসক নাই মা ও শিশু হাসপাতালে

জাগো বুলেটিন ID: EP-15669

হাসপাতালের ভবন আছে, রোগী আছে, প্রয়োজনীয় পরিমাণ আসবাবপত্র আছে, চিকিৎসকদের জন্য আবাসিক ভবনও আছে। নেই শুধু চিকিৎসক। চার বছরে কোন ডাক্তার আসেনি এর ফলে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে সাধারণ মানুষ। এমন অবস্থা বিরাজ করছে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নে স্থাপিত ১০ শয্যাবিশিষ্ট একমাত্র মা ও শিশু হাসপাতালে।

এলাকাবাসী জানায়, সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতাল নির্মাণ করেছেন কিন্তু এটা কোন কাজেই আসছে না। সরজমিনে দেখা গেছে একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক অস্থায়ী (ডেপুটেশনে) একজন সেবিকা সহকারী অস্থায়ী (ডেপুটেশনে) একজন পাহারাদার ও ঝাড়ুদার দিয়ে চলছে এ হাসপাতালের কার্যক্রম। অথচ ১০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালটির অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়েছে চার বছর আগে। কিন্তু এতদিনেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দেয়নি কোনো চিকিৎসক, সেবিকা, টেকনিশিয়ানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী।

হাসপাতালটি ঘুরে দেখা গেছে, এখানে বর্তমানে কর্মরত এবং আবাসিকভাবে বসবাস করছেন, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, ফেরদৌসী বেগম। তিনি জানান, আমি এখানে চার বছর কর্মরত আছি কিন্তু ডাক্তার না থাকায় রোগী এখানে ভর্তি হতে পারেনি। আসবাবপত্র সহ নানা সরঞ্জামাদির নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শুধু এক জন ভান্ডার এর অভাবে।

এদিকে গলাচিপা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আতিকুর রহমান জানান, এটা ২০১৮ সাল থেকে চালু আছে। স্থানীয় যে লোকবল আছে এক ডব্লিউ ডি এবং এম এল এস এস নার্সি অ্যাসিস্ট্যান্ট এদের দ্বারা চালু রেখেছি কিন্তু এখানে আরো অধিক সেবা নিশ্চিত করার জন্য দরকার সিজারিয়ান সেকশন, গর্ভবর্তীদের সেবা দেওয়ার জন্য একজন গাইনোকোলজিস্ট এবং এনেসথেসিয়াকোলজিস্ট আমরা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি তারা বিষয়টি অবগত আছেন নিয়োগ-প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন।

এ ব্যাপারে পানপট্টি ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানা জানান, চার বছর পূর্বে এ হাসপাতালটি নির্মাণ হলেও চিকিৎসক এর অভাবে এটি জনগণের কোন কাজে আসছে না।