জাতির কর্ণধারকে নিয়ে তৈরি রেল জাদুঘর দেখার স্বপ্ন ভঙ্গ হাজারো মানুষের
বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে ঘুরে বেড়ানো বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরটি দেখতে এসে নিরাশ হয়ে ফিরে গেছে ছোট শিশু, শিক্ষার্থী, বয়স্ক থেকে শুরু করে হাজারো শ্রেণি-পেশার মানুষ। গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ঈশ্বরগঞ্জ রেল স্টেশনে অবস্থান করার কথা ছিলো ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরটির।
শনিবার (৫ নভেম্বর) সকালে শিক্ষকদের সাথে বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর দেখতে আসে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর আগে ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরটির ইঞ্জিন না থাকায় অন্য একটি গাড়ির সাথে রেল জাদুঘরটিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে শায়েস্তাগঞ্জ।
বর্ণমালা আইডিয়াল স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থী নাফিসা বলেন, সকালে বন্ধুদের মুখে রেল জাদুঘরের কথা শুনে স্কুল থেকে সরাসরি চলে আসি কিন্তু এখানে এসে কিছুই পেলাম না। কি একটা ধরা খাইলাম।
বর্ণমালা আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষক ফয়জুন্নাহার পলি বলেন, রেল জাদুঘরটি আমাদের স্টেশনে আসবে তার কোন প্রচারণা ছিলো না। আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে যখন রেল জাদুঘরটির কথা জানতে পারলাম তখনি সিদ্ধান্ত নেই শনিবার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কাছ থেকে দেখাবো কিন্তু তা আর হলো না।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফরিদুল ইসলাম বাবু বলেন, এক খন্ড বাংলাদেশকে তুলে ধরা ট্রেনের একটি বগি, বিশাল ইতিহাস, ছিলো বঙ্গবন্ধুর ছোঁয়া, শত আবেগের সংমিশ্রণ। ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। জাতির কর্ণধারকে নিয়ে তৈরি এই বগি দেখার স্বপ্ন ভঙ্গ হওয়া তা আর বর্ণনা করা যাবে না।
ঈশ্বরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরটি তিন দিন থাকার কথা। কিন্তু রেল জাদুঘরটির ইঞ্জিন না থাকায় এবং কাল থেকে শায়েস্তাগঞ্জে উপস্থিত থাকার জন্য আজ সকালেই অন্য একটি গাড়ির সাথে জাদুঘরটিকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজা জেসমিন বলেন, রেল জাদুঘর ঈশ্বরগঞ্জ আসবে এই বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আমাকে কিছু জানায়নি। আমি এর শিডিউল সম্পর্কে অবগত না। এই বিষয় অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করছে আমি সত্যি অনেক বিব্রতবোধ করছি।