নগরকান্দায় সরকারি জায়গা দখলেই ডিসিআর, ডিসিআরে হাতবদল?
ফরিদপুরের নগরকান্দা বাজার সহ পৌর এলাকায় সরকারি জায়গা দখল নিয়ে ডিসিআর ও ডিসিআর মূলে বিক্রি করে করছে হাতবদল।দখল মূলে সরকারি জায়গা ভুমি অফিস থেকে কৌশলে ১ বছর লিজ নিয়ে পাকা স্থাপনা গড়ে যুগের পর যুগ এমনকি শত বছর ধরে লছে বেচাকিনা হাতবদল।দখলদারদের দখলে থাকছে।এক নামে আধা শতাংশ জমি লিজ নিলেও অনেকের দখল দুই তিন গুনের বেশি দখল নিয়ে আছে।দখলদারদের মধ্যে অনেকেই নিজের নামে এমনকি কৌশলে নিজ স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়র নামে লিজ এনে ভোগ দখল করছে।নগরকান্দায় সরকারি জায়গা দখল যেন হাতের মুয়া। দখলের পর দখলদার ভুমি অফিসে থেকে সহজে পেয়ে যাচ্ছেন ১ বছরের জন্য লিজ।এক বছরের জন্য লিজ ( ডিসিআর) নিয়ে দখলদার কয়েক মাসের মধ্যে সেখানে পাকা স্থাপনা গড়ে নিজের দখলে বা মোটা অংকের টাকায় সরকারি জায়গা বিক্রি করছেন। দখলদাররা সরকারি জায়গা বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। অপরদিকে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব, গ্রাস হচ্ছে সরকারি সম্পত্তি। বর্মানে নগরকান্দা বাজারে পাবলিক টয়লেটের সামনে সরকারি জায়গা দখল নিয়ে ঘর উত্তোলন করছে মহি খান।এর পুর্বে মহিউদ্দিন খানের পিতা – মরহুম বাকা খান সরকারি দুই শতাংশ জায়গা দখল নিয়ে ডিসিআর নিলেও সেখানে ক্রমেই সরকারি জায়গা প্রায় ৮ শতাংশ সরকারি জায়গা দখল নিয়ে পাকা স্থাপনা গড়ে তুলছে, দোকান ঘর উত্তোলন করে ভাড়া দিয় টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এরপরও নতুন করে আবারও সরকারি জায়গা দখল করছে।সরকারি জায়গায় পাকা স্থাপনা আইনে বিধি নিষেধ থাকলেও দখল নিয়ে রাতারাতি গড়ে তুলছে পাকা স্থাপনা। এবিষয় দখলদার মহিউদ্দিন খান ও তার ভাই কামাল খান কে দখল স্থানে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে ভুমি অফিস থেকে লোক এসে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে বলে আশেপাশের দোকানের ব্যবসায়ীরা জানান।নগরকান্দায় সরকারি জায়গা দখল যেন একটা দখলদারির নেশা- পেশায় পরিনত। সরকারি জায়গা দখল করলেই দখলদারের বাজিমাত।সরকারি জায়গা বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা রাতা রাত্রি পকেটে পুরছে।পৌর মেয়র নিমাই চন্দ্র সরকার বলেন আমি পৌরসভার মেয়র পৌরসভার মধ্যে বিভিন্ন স্হানে সরকারি জায়গা রাতের আধারে দখ হয়ে যাচ্ছে, যারা দখল করেই কিভা দুরত্ব ভুমি অফিস থেকে ডিসিয়ার নেয় তা আমার অবগত নয়।এছাড়া নগরকান্দা বাজারের পাবলিক টয়লেট এর আশপাশে সরকারি জায়গা দখল নিয়েছে সে সকল দখলদারিদের তিব্র নিন্দা জানাই।