রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ
QR Code
স্ক্যান করে অনলাইনে পড়ুন
jagobulletin.com /jagobulletin22 ঢাকা, বাংলাদেশ

পঞ্চগড়ে ব্যবসায়ীর গুদামে ৬শ ৬৭ বস্তা সরকারি চাল, ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ

জাগো বুলেটিন ID: EP-32427

ঞ্চগড় বাজারের আব্দুস সাত্তার নামের এক ব্যবসায়ীর গুদামে ৬শ ৬৭ বস্তা চাল মজুদ পায়। এতে ২০ মেট্রিক টন সরকারি চাল রয়েছে। পরে পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিঞা, পঞ্চগড় সদর উপজেলার খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আরেফিন ঘটনাস্থলে পৌছে।

তারা কিছু কাগজপত্র দেখে কোন ব্যবস্থা না নিয়েই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। বুধবার দুপুরে পঞ্চগড় বাজারের চাউল হাটিতে এই ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, নাটোরের গুরুদাসপুরের গৌতম ট্রেডার্স থেকে ২০ মেট্রিক টন চাল কিনেছেন আব্দুস সাত্তার।
চালগুলো টিআর কাবিখার বলেও জানান তিনি। তার গুদামে খাদ্য বিভাগের লোগো ও লেখা সম্বলিত প্রতিটি বস্তায় ৩০ কেজি করে ৬শ ৬৭ টি বস্তা রয়েছে বলেও জানান তারা।

খাদ্য বিভাগের লোগো ও লেখা সম্বলিত বস্তায় চাল বিক্রি অবৈধ হলেও খাদ্য বিভাগ কোন ব্যবস্থা না নিয়েই ওই ব্যবসায়ীকে চাল বিক্রির অনুমতি দিয়ে চলে যান।

চাল ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার বলেন, আমি নাটোর থেকে চালগুলো কিনেছি। এভাবে আমি দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবসা করছি। আমার সব কাগজপত্র ঠিক আছে। তাই খাদ্য বিভাগ ও পুলিশের কর্মকর্তারা কাগজপত্র যাচাই করে আমাকে বিক্রির অনুমতি দিয়ে চলে যায়।

নাটোর গুরুদাসপুরের গৌতম ট্রেডার্সের প্রো:গৌতম কুমার শীল বলেন, আমাদের ৫০ মেট্রিক টন চাল, কাবিখা প্রকল্পের ডিও নেয়া আছে রাজশাহী ভবানীগঞ্জে। মঙ্গলবার সাত্তার ট্রেডার্স ২০ টন চাল সেখানে ক্রয় করেছে।

পঞ্চগড় সদর উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আরেফিন বলেন, কাগজ দেখে টিআর, জিআরও কাবিখা প্রকল্পের চাল ঠিক আছে।
পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, আমরা কাগজপত্র যাচাই করে দেখেছি কাগজ ঠিক আছে।