২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেনু
সংবাদ পাঠান
© 2026 জাগো বুলেটিন
শিরোনাম

ফরিদপুরে কিশোরের এক চোঁখ কানা করে দিলো কিশোর গ্যাং

জাগো ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০২২

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের গোয়ালপুতা গ্রামের ফজলুল হক শরীফের ছেলে জিসান শরীফ (১৫) কে পার্শ্ববর্তী উপজেলা সদরপুরের কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ঠেংগামারী গ্রামের ইলিয়াস এর ছেলে সাজ্জাদ(১৩), এনায়েত পরামানিকের ছেলে মিজান (১৩) সহ কয়েকজন অজ্ঞাত কিশোর। ঘটনা ঘটেছে গত ৮ অক্টোবর সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ঠেংগামারী গ্রামের এনায়েত পরামানিক এর বাড়ির সামনে। জিসান বলেন ঘটনার দিন আমার চাচাত ভাইদের সাথে বাইসাইকেল নিয়ে ঘুরতে কৃষ্ণপুরের দিকে যাই সে সময় চাচাতো ভাইর বাইসাইকেলে তাদের বাইসাইকেলের সাথে টুকা লাগে তারা আমাদের সাথে জগড়া বাধালে আমি ঠেকাতে যাই এবং এরই মধ্যে মিজান, সাজ্জাদ বাড়িতে গিয়ে আরো কয়েকজন সহ স্টীলের পাইপ এনে আমাকে এলোপাতাড়ি ভাবে পিটাতে থাকে এবং পিটানোর একপর্যায়ে চোঁখে বাড়ি লাগে ও পাইপ দিয়ে খুঁচা মেরে আমার ডান পাশের একটি চৌঁখ নষ্ট করে দেয়।আহত জিসান কে ৯ অক্টোবর ঢাকা জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিস্টিউট হাসপাতালে ভর্তি করে।এবিষয় ভুক্তভোগী জিসানের পিতা ফজলুল হক শরীফ বলেন আমরা সদরপুর থানায় জানালে পুলিশ ঘটনা স্থলে আসে তখন স্থানীয় মাতুব্বররা ও চেয়ারম্যান তিতাস বোড অফিসে শালিস মিমাংসা করার কথা বলে। আমরা বোড অফিসে যাই কিন্তু তারা বোড অফিসে বসে মিমাংসা করবেনা।এভাবেই আজ মাস পার হয়ে গেছে। এছাড়া যারা আমার ছেলের চোঁখ নষ্ট করে দিয়েছে তারা সন্ত্রাসীদের সাথে ঘুরে বেড়ায়।আমরা কৃষ্ণপুরে তাদের ঐখানে ব্যবসা করি, তাদের ভয়ে আতংক থাকতে হয়।এছাড়া তাদের ভয়ে মামলা করতে সাহস পাচ্ছিনা।মামলা করলে আমাদের বাড়িঘরে হামলা করতে পারে যে কারনে আমার ছেলের চোঁখ নষ্ট করলেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারিনি। চেয়ারম্যান বিচার মিমাংসা আজও করে দেয়নি।এবিষয় চেয়ারম্যান তিতাসের সাথে তার মুঠোফোনে চেষ্টা করেও তার ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। জিসান ৯ ম শ্রেণীতে পড়াশোনা করছেন বলে জানান। ফরিদপুর পুলিশ সুপার, নগরকান্দা অফিসার ইনচার্জ ও সদরপুর অফিসার ইনচার্জ এর নিকট বিচার প্রার্থনা করছেন ভুক্তভোগী জিসান এর পিতা ফজলুল হক শরীফ।

ফটো কার্ড প্রিভিউ
রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০২২

ফরিদপুরে কিশোরের এক চোঁখ কানা করে দিলো কিশোর গ্যাং

লিংক কপি হয়েছে!