শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
ফুলবাড়ীয়ায় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্যারিয়ার মিটআপ অনুষ্ঠিত ● নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ●
Logo
জনপদ

কুমিল্লার সেই নিখোঁজ চার বোনকে পাওয়া গেছে

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ২ জুন ২০২২, ১১:৩১ পিএম
কপি হয়েছে!

কুমিল্লায় সাত দিন আগে নিখোঁজ হওয়া চার বোনকে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পরিবার। পিবিআইয়ের একজন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার (২ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার জাঙ্গালিয়া এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুন) সকাল ১০টায় সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে পিবিআই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পিবিআইয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

নিখোঁজ চার বোনের মামা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘ভাগনিদের নিতে কুমিল্লা পিবিআইয়ের কার্যালয়ে এসেছি আমরা। এখন তাদের সঙ্গেই আছি। তাদের আমরা খুঁজে পেয়েছি। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবো।’

চার মেয়ের বাবা মুজিবুল হক বলেন, ‘সন্তানদের খোঁজ পাওয়ার পর আমার স্ত্রী ও শ্যালক তাদের আনতে নাঙ্গলকোট থেকে কুমিল্লায় গেছে। তারা পিবিআইয়ের কার্যালয়ে আছে। মেয়েদের সন্তান পেয়েছে বলে আমাকে মোবাইলে জানিয়েছে তাদের মা।’

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মে মা-বাবার সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার হুমকি দেয় কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের চার বোন। পরে অভিমান ভাঙাতে এসে নাতনিদের সঙ্গে করে নিয়ে যান তাদের নানি। পরদিন ২৬ মে সেই বাড়ি থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশে বের হয়ে নিখোঁজ হয় তারা।

নিখোঁজ চার বোন উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের কালেম গ্রামের মজিবুল হকের মেয়ে। তারা স্থানীয় দুটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। আত্মীয়-স্বজনসহ বন্ধু-বান্ধবীদের বাড়িতে খোঁজ করেও মেলেনি সন্ধান। এ ঘটনায় ২৭ মে রাতে নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তাদের বাবা মুজিবুল হক। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অবশেষে তাদের সন্ধান পাওয়া যায়।