শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
ফুলবাড়ীয়ায় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্যারিয়ার মিটআপ অনুষ্ঠিত ● নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ●
Logo
জনপদ

ময়মনসিংহে অটোরিকশা চালক হত্যাকাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ জুন ২০২২, ১১:৩৬ পিএম
কপি হয়েছে!

নান্দাইলে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক মোজাম্মেল হোসেন হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে ডিবি পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে অটোরিকশাটি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছাত্রলীগ নেতাসহ তিনজনকে। শনিবার বিকেলে তাদের ময়মনসিংহ আদালতে সোপর্দ করা হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় তারা।

নান্দাইল উপজেলার সাভার গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল (২১)। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের মৃগালী মোড় থেকে গলায় মাফলার পেঁচানো ও মুখ থেঁতলানো অবস্থার তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যার আগের রাতে মোবাইল ফোনে কল করে তার বাবার কাছে ২০ হাজার টাকা পাঠাতে বলা হয়। টাকা পাঠাতে না পারলে মোজাম্মেলকে হত্যা করে অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ১৫ ফেব্রুয়ারি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ঈশ্বরগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলাটি তদন্তের দায়িত্বভার পায় পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। তিন মাস ২১ দিনের মাথায় গত শুক্রবার রাতে নিহতের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে ঈশ্বরগঞ্জ থেকে মোজাম্মেল হককে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলাটির সরিষা ইউনিয়নের গাংপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধারের পর আবু রায়হান ওরফে তাসকিন আহমেদ রায়হান (২৫) ও জিয়াউর রহমান সাইদুলকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। সাইদুল পৌর এলাকার ধামদী গ্রামের আর রায়হান দত্তপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। রায়হান ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। তার বাড়ি থেকে অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড রায়হান। ঘটনার দিন বিকেলে তিনজন আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য পরিকল্পনা করে নান্দাইল গিয়ে অটোরিকশাটি ভাড়া করে। পরে চালককে নিয়ে ময়মনসিংহে চলে যায়। সেখানে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে সময় ক্ষেপণ করে। নিহতের বাবার কাছে টাকা না পেয়ে চালক মোজাম্মেলকে জোর করে নামিয়ে যাত্রীর আসনে বসায় এবং আসামি সাইদুল অটোরিকশাটি চালায়। এ সময় যাত্রীর আসনের মাঝখানে চালক মোজাম্মেলকে বসিয়ে রায়হান ও মোজাম্মেল হক দুই পাশে বসে গলায় মাফলার পেঁচিয়ে নাক-মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করে।