শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
ফুলবাড়ীয়ায় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্যারিয়ার মিটআপ অনুষ্ঠিত ● নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ●
Logo
জনপদ

বজ্রপাত নিরোধক ও দৃষ্টিনন্দন তালগাছের গ্রাম কুমিল্লার সাতঘরিয়া

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ জুন ২০২২, ১২:০৫ পিএম
কপি হয়েছে!

তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে, সব গাছ ছাড়িয়ে, উঁকি মারে আকাশে’- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘তালগাছ’ কবিতার আকাশ ছুঁই-ছুঁই আর সারি-সারি তালগাছের দৃশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। তবে  জেলার সাতঘরিয়া এর ব্যতিক্রম। এটি যেন তালগাছের গ্রাম। সড়কের দুই পাশ ছাড়াও বাড়ির আঙিনায় দেখা মিলে পরিবেশ বান্ধব এ গাছ। ছোট-বড় তালগাছে ঘেরা মনোমুগ্ধ পরিবেশ যে কাউকে আকৃষ্ট করে। আর এ দৃশ্যটি ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি করতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন প্রকৃতি প্রেমী মানুষ।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, ভারতের সীমান্তঘেঁষা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের সাতঘরিয়ায় গ্রাম। এ গ্রামের সড়কের দুই পাশে সারি-সারি তালগাছ। দৃষ্টিনন্দন সেই সড়কে ছবি তুলছেন কয়েকজন প্রকৃতি প্রেমী। ব্রাক্ষণবাড়িয় থেকে আসা তানভীর আহমেদ নামের এক যুবক বাসসকে বলেন, সড়কের দুই পাশে অগণিত তালগাছ সাতঘরিয়া গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। যা দেখতে আমাদের এখানে ছুটে আসা। প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য এটি চমৎকার একটি দৃশ্য।
সাতঘরিয়া গ্রামের এমরান হোসেন বাসসকে বলেন, আয়তনের দিক থেকে জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নে আমাদের গ্রামটি বড়। এর প্রতিটি সড়কের দুই পাশে বজ্রপাত নিরোধক ও পরিবেশ বান্ধব সারি-সারি তালগাছ লাগিয়েছে বাপ-দাদারা। এমনকি বাড়ির আঙিনাতেও রয়েছে ছোট-বড় তালগাছ। সত্তর বছরের সাতঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. শফিকুর রহমান মোল্লা বলেন, এ গ্রামে আদিকাল থেকেই আমরা তালগাছ রোপণে যেমন আগ্রহী ছিলাম বর্তমান প্রজন্মও এর ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে। সারি সারি তালগাছে যেমন গ্রামের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে তেমনি প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বজ্রপাত) মোকাবিলাও অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর কুমিল্লার উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বাসসকে বলেন, মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য জেলার ১৭ উপজেলায় ৫০ হাজার তালের বীজ রোপণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এসব বীজ সড়কের পাশে না লাগিয়ে ফসলি মাঠের আইলে লাগানো হবে। তিনি আরো বলেন, তালগাছ বজ্রপাত নিরোধক ও পরিবেশ বান্ধব। নির্বিচারে এ গাছ উজাড় করার ফলে বর্তমান সময়ে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে গেছে। মাঠে কৃষকদের মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে কৃষি বিভাগ এ উদ্যোগ নিয়েছে।