● ময়মনসিংহ বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ● ফুলবাড়ীয়ায় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্যারিয়ার মিটআপ অনুষ্ঠিত ● নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● ●
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
ময়মনসিংহ বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ● ফুলবাড়ীয়ায় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্যারিয়ার মিটআপ অনুষ্ঠিত ● নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ●
Logo
ক্যানভাস

১৬০ সন্তানের জনকও বাবা দিবসে নিঃসঙ্গ!

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২২, ০৪:৩২ পিএম
কপি হয়েছে!

দেড় শতাধিক মহিলাকে মাতৃত্বের স্বাদ দিয়েছেন তিনি। অথচ পিতৃদিবসে জো-এর সঙ্গে দেখা করার নেই কেউই।

যে নারীরা চেয়েও মা হতে পারছেন না, তাঁদের মাতৃত্বের স্বাদ দেন ইংল্যান্ডের বাসিন্দা জো। দেড় শতাধিক মহিলাকে মাতৃত্বের স্বাদ দিয়েছেন তিনি। ১৬০ সন্তানের পিতা, অথচ পিতৃদিবসে ৫১ বছর বয়সি জো-এর সঙ্গে দেখা করার মতো নেই কেউই।

আইভিএফ, শুক্রাণু দান থেকে পুরোদস্তুর শারীরিক মিলন, একাধিক পদ্ধতিতে নারীদের মাতৃত্বের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেন জো। নেটমাধ্যমে করতে হয় যোগাযোগ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ২০০ জন মহিলা মা হওয়ার জন্য তাঁর সাহায্য চেয়েছেন বলে দাবি জো-এর। নিজে ইংল্যান্ডের বাসিন্দা হলেও আমেরিকা, আর্জেন্টিনা, ইটালি, সিঙ্গাপুর, ফিলিপিন্সের মতো দেশে গিয়েও সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি।

সারা পৃথিবীতে ১৬০ সন্তান থাকলেও, পিতৃদিবসে কার্যত একাই সময় কাটাতে হচ্ছে তাঁকে। স্থানীয় একটি সংবাদ সংস্থাকে জো জানিয়েছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সন্তানের থেকে গোপন রাখা হয় তাঁর পরিচয়। তাই সন্তানদের সঙ্গে আলাপ করার কোনও সুযোগ তাঁর নেই বললেই চলে। সন্তানদের কেউ কেউ ফোন করলেও দেখা করে না। জো-এর আশা অন্তত ১০ থেকে ১২ জন পিতৃদিবসে ফোন করলেও করতে পারে। তবে দেখা করার মতো কেউ নেই, এ কথাও জানান তিনি।