শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
ফুলবাড়ীয়ায় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্যারিয়ার মিটআপ অনুষ্ঠিত ● নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ●
Logo
জনপদ

লালমনিরহাটে বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২২, ০২:৫৫ পিএম
কপি হয়েছে!

পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতে জেলায় প্রবাহিত তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি শুক্রবার ভোররাত থেকে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো, তবে বেলা ১২টা থেকে পানি কমতে শুরু করলেও রাতে ফের বাড়ার সম্ভবনা আছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
ভোরে তিস্তা নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার ও ধরলা নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো। এতে জেলার ৫ উপজেলার তিস্তা ও ধরলা নদীর কূলবর্তী নিম্নাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তিস্তা নদীর পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ টি জলকপাট খুলে দিয়ে পানি প্রত্যাহার করা হচ্ছে।
শুক্রবার  বেলা ১২ টায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে ও ধরলা নদীর শিমুলবাড়ি পয়েন্টে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে রাতে পুনরায় পানির প্রবাহ বাড়তে পারে। এদিকে তিস্তা ও ধরলা পাড়ের কূলবর্তী গ্রামগুলোতে পানি ডুকে পড়ায় মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। উঠতি ফসল বাদাম, ভূট্টা, শাকসব্জি ফসলের ক্ষতি হয়েছে।
জেলা সদরের ধরলা নদীর ব-দ্বীপ চর ফলিমারীতে পানি উঠেছে। এই চরের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। চরের জনসাধারণকে অন্যত্র উচু জায়গায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টায় উজানের ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। তিস্তার চরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী এলাকার রাস্তা-ঘাট ডুবে গিয়ে চরাঞ্চলের মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সংস্কারের অভাবে  ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলো। পানিবন্দি পরিবার গুলো  ঘর-বাড়ি ছেড়ে অনেকে  উঁচু বাঁধ বা পার্শ্ববর্তী গ্রামে আশ্রয় নিয়েছে। বৃদ্ধ, বৃদ্ধা, নারী, শিশু, গবাদি পশু-পাখি নিয়েও পানিবন্দি মানুষ পড়েছে  চরম বিপাকে।
জেলা প্রশাসক, জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা নদীর বাম তীরে পাটগ্রাম উপজেলা দহগ্রাম ইউনিয়ন। হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিংগিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়ন। আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়ন, নামুড়ি, ভাদাই। সদর উপজেলার খুনিগাছ ও রাজপুর, গোকুন্ডা, মোগলহাট, কুলাঘাট ইউনিয়নে নদীর পানি প্রবেশ করছে। পানি বন্দি মানুষের খোঁজ খবর রাখছে প্রশাসন হচ্ছে। ইতোমধ্যে শুকনো খাবার ও চাল সরকারি সহায়তা হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে।