শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
ফুলবাড়ীয়ায় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্যারিয়ার মিটআপ অনুষ্ঠিত ● নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ●
Logo
জনপদ

ফরিদপুরের মধুখালীতে পাটের ব্যাপক ফলন

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ৮ জুন ২০২২, ১১:২১ পিএম
কপি হয়েছে!

‘সোনালী আঁশে ভরপুর ভালোবাসি ফরিদপুর’ খ্যাত ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলাতে চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পরিমানে পাটের চাষ হয়েছে। উপজেলার সকল ইউনিয়নের জমিতে যে রকম ভাবে পাট গাছ দাড়িয়ে আছে তাতে মন জুড়িয়ে যায়।

ইতিমধ্যে সব এলাকার জমিতে পাট  ৪/৫ ফুট লম্বা হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে পাট পরিপক্ক হলে কৃষকেরা বাছপাট কাঁটতে শুরু করবেন। পাট চাষীরা  নিজস্ব  উদ্যোগে জমিতে সেচের ব্যবস্থা করে  আগাম পাট বীজ বপন  করেন।  সে কারনেই  মন জুরানো মাঠের পর মাঠ  সোনালী আশ পাট সবুজে ভরপুর।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর ৮ হাজার ৬শত হেক্টর জমিতে পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। আবাদ হয়েছে ৮ হাজার ৫ শত ৫৫ হেক্টোর। পাট বপনের পর অনুকুল আবহাওয়া ও সময়মত বৃষ্টি পাওয়ার কারনে পাটের আকার এবং আঁশের পরিপক্কতা ভালো হবে। পাট পঁচানোর জন্য সময়মত পানি হলে এ বছর পাটের ফলন হবে আশাব্যঞ্জক।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ব্যাসদী, লক্ষীনায়রনপুর, রায়পুর, গোপালদি মেগচামী ইউনিয়নের মেগচামী মাঠ, নরকোনা মাঠ,কলাগাছি মাঠ, গাজনা ইউনিয়নের মথুরাপুর মাঠ, কোরকদি মাঠ, আড়পাড়া মাঠ, নওপাড়া মাঠ এলাকায়  প্রচুর পরিমানে পাটের চাষ হয়েছে। পাট দেখলে মন ভরে যায়।

কৃষকেরা জানান, সময়মতো পানি হলে পাট পঁচাতে কৃষকের সমস্যা হবে না। দাম ভালো পেলে কৃষকের উপকার হবে।

ফরিদপুরের মধুখালী  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আলভীর  রহমান জানান, চলতি বছর আবহাওয়া পাট চাষের উপযোগী হওয়ায় এ বছর পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে।  আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৮ হাজার ৬শ থাকলেও পাট বীজ বপন হয়েছে ৮ হাজার ৫শ ৫৫ হেক্টোর জমিতে। যা গতবারের চেয়ে ২ হেক্টর পরিমান বেশি কৃষকের আগ্রহ আর আমাদের প্রচেষ্ঠায় আজকের এ অবস্থান। এ ছাড়া গত বছর পাটচাষীরা পাটের দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর চাষীরা পাট চাষে আগ্রহী হয়েছে। দাম ভালো পেলে কৃষকের উপকার হবে। আল্লাহ রহমত  যদি থাকে যথা সময়ে পাট পচানোর জন্য পানির ব্যবস্থা হলেই হবে ।