শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
ফুলবাড়ীয়ায় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্যারিয়ার মিটআপ অনুষ্ঠিত ● নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ●
Logo
জনপদ

নগরকান্দায় সরকারি জায়গা কেনাবেচা – মহিলা মাদরাসার সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দখল

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ জুন ২০২২, ০৯:৫৩ পিএম
কপি হয়েছে!

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের তালেশ্বর গ্রামে কুমার নদীর পাড়ে সরকারি জায়গা কেনাবেচা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

১১৯ নং বড় মানিকদি মৌজার ৬০,৬১ নং দাগের মোট ৩০ শতাংশ জমির মধ্যে মাত্র ২ শতাংশ জমি মালিকানা সম্পত্তি। অবশিষ্ট ২৮ শতাংশ সরকারি (ওয়াপদার) সম্পত্তি।

জমিটি বিক্রি করেন সালথা উপজেলা গট্রি ইউনিয়নের রাহুতপাড়া গ্রামের মৃত নাজিমউদ্দীন মাতুব্বর এর পুত্র আলাউদ্দিন মাতুব্বর ও রত্তন মাতুব্বর। মালিকানা ২ শতাংশ জমি ও সরকারি ২৮ শতাংশ জমি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নেয় তালমা ইউনিয়নের মানিকদি গ্রামের আবেদ আলীর পুত্র ক্বারী মোঃ রুস্তম মাতুব্বর।

মালিকানা সম্পত্তি দলিল মুলে ও সরকারি ওয়াপদার সম্পত্তি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে লিখে নেয়।সরকারি জায়গা কেনাবেচা আইনগত নিষেধ এবং অপরাধ থাকলেও করেছে বেচাকেনা।সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে একটি পক্ষ কয়েক লাখ টাকা।

তবে সরকারি জমিতে ভোগদখলে ছিলেন বলে তালেশ্বর গ্রামের মৃত আনারউদ্দিন ফকিরের ছেলে হারেজ ফকির। তিনি জমিতে আখের চাষ করেন।এবং অনেক বছর ধরে তার দখলে ছিলো।হারেজ ফকির বলেন আমরা দখলে থাকা অবস্থায় নাজিমুদ্দিন মাতুব্বরের ছেলেদের নিকটে থেকে ক্বারী রুস্তম কিনে নেয় এবং আমাদের দখলকৃত জমিতে মাটি কটে দখল করে।এছাড়া গোলমালের ভয়ে আমরা বাধা দেইনি।জমিটি উদ্ধার করতে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ দিব।

মালিকানা ও সরকারি এই সম্পত্তি প্রথমে এস,এ রেকর্ড মুলে হাড়ুকান্দি গ্রামের বাহাদুর ফকির এর ছেলে ইসমাইল ফকির ভোগ দখল করে এবং বিলনালিয়া গ্রামের কলম ফকিরের ছেলে আনারউদ্দিন ফকিরের কাছে বিক্রি করেন।তারপর থেকে আনারউদ্দিন ফকিরের ছেলে হারেজ ফকির ভোগদখল করে আসছে।নাজিমুদ্দিন মাতুব্বর এর ছেলেরা কিভাবে এই সম্পত্তি বিক্রি করলো তা জানেনা হারেজ ফকির।

নাজিমুদ্দিন মাতুব্বর এর বাড়িতে গিয়ে তার ছেলে আলাউদ্দিন ও রত্তন মাতুব্বর কে বাড়িতে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে ক্বারী মোঃ রুস্তম ফোনে বলেন ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে জমি কিনেছি।কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

মালিকানা ২ শতাংশ জমি কিনে সরকারি ওয়াপদার ২৮ শতাংশ জমি মহিলা মাদরাসার সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে সুকৌশলে জমিটি দখল নেয়।এছাড়া সরকারি রাস্তা থেকে একটি গাছ কেটে নেয় ক্বারী মোঃ রুস্তম। জায়গায় দখল নিয়ে তার দলবল নিয়ে মিলাদ পড়ান সেই দখলীয় সরকারি জায়গায়।

সরকারি জায়গা দখল মুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।