২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেনু
সংবাদ পাঠান
© 2026 জাগো বুলেটিন
শিরোনাম

কোটের নির্দেশ অমান্য করে ধরছে না আসামী.. জীবন ঝুঁকিতে বাদী

জাগো ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ০৫ আগস্ট ২০২২

ঠাকুরগাঁও ব্যাংক থেকে টাকা উত্তলন করে নিয়ে আসার সময় সিনেমা কায়দায় গাড়ি আটকিয়ে মারপিট করে টাকা ছিনিয়ে নেই এক দল ছিনতাইকারী। কিন্তু ছিনতাই করার সময়ে ছিনতাই কারীদের মধ্যে ১ জন ছিনতাইকারী সায়েম খান(৪৫) কে চিনে ফেলাই ও কোর্টে মামলা করাই এখন জীবন ঝুঁকিতে ভুক্তভোগী আতাউর রহমানের।

 

মামলার সুত্রে জানাযায়, বাদী আতাউর রহমান ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা রুহিয়া থানাধীন উত্তর বঠিনা (নামাজ পড়া) মৃতঃআফসার আলী খানের ছেলে। এবং আসমী একই গ্রামের নজরুল হুদার ছেলে সায়েম খান(৪৫)

গত (১২ জুলাই) মঙ্গলবার পারিবারিক প্রয়োজনে ঠাকুরগাঁও অগ্রণী ব্যাংক যাহারা (একাউন্ট নং-০২০০০১৬০৬৬৪১৩ ও চেক নং- ৭৮৩৩৯২২) হতে ৫০ হাজার টাকা উত্তলন করে বাড়ি ফিরার পথে রাত আনুমানিক ৯ ঘটিটায় চাঁদপুর ক্যাম্প হতে নামাজ পড়ার যাওয়ার রাস্তার মধ্যেস্থানে প্রায় ৫/৬ জন বাক্তি তাদের মধ্যে ১ নং আসামী সায়েম খান ও উপস্থিত ছিল।তারা সকলেই আমাকে রাস্তার মাঝ পথে আটকায় এবং আমার নিকট ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে।

আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করিলে ১ নং আসামী সহ অজ্ঞাতনামা আসামী আমাকে এলোপাথারী কিল ঘুষি মারে এবং আসামী সায়েম খান একটি ধারালো ছুরি আমার গলায় ধরে আমাকে প্রানে মারিয়া ফেলিবার হুমকি প্রদান করে আমি চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে সায়েম খান ও তার সহযোগীরার সহযোগীতায় মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে আমার প্যান্টের ডান পকেট থেকে জোর পূর্বক ছিনাইয়া নেই শুধু তাই নং পরবর্তীতে আমি যেনো কোন ব্যবস্থা নিতে না পারি বা উদ্দেশ্যে ১ নং আসামী অলিখিত স্ট্যাম্প বের করিতে বলে আমি সহি করিতে রাজী না হইলে আসামী সায়েম খান চাকু দারা ভয় দেখিয়ে ফাকা স্ট্যাম্পে সহি সাক্ষর করিতে বলে আমি প্রানের ভয়ে সই করতে বাধ্য হয়।

৩ টি ননজুডিসিয়াল ফাকা স্ট্যাম্পে সই সাক্ষর নিয়ে চলে যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে বলে আমাদের দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দিলে তোমার স্বাক্ষরিত স্ট্যাম্প ফেরত দিবো অন্যথায় তোমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করিয়া জেল খাটাবো।

 

এই দিকে বাদী আতাউর রহমান গণমাধ্যমকর্মীদের কে অভিযোগ করে বলেন, আমি কোর্টে (৩৪১/৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭/৫০৬(২)/৩৪ ধারায়) মামলা করায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত ঘটানাটি আমলে নিয়ে রুহিয়া থানা রেফার করে কিন্তু মামলার আয়ো তদন্তকারী একদিন বাসায় আসলে সব কিছু শুনে চলে যায় এবং যাওয়ার পরে রুহিয়া থানার আর কোন ভূমিকাই নেই। এই দিকে আসামী প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘুরা বেড়াচ্ছে আর বলতেছে যে শালা মামলা করছিস এবার প্রানে মেরে ফেলবো তুই কিছু করতে পারবি না তোমার জীবন বাচালে মামলা তুলেনে তারাতাড়ি বলে হুমকি ধামকি দিয়ে আসতেছে বলে অভিযোগ করেন ।

তিনি আরো বলেন আমি বড় নিরাপদহীনতার মধ্যে জীবন যাপন করতেছি ভয়ে বের হতে পারতেছিনা বাসা থেকে জানি না কখন কোথায় মেরে ফেলে আমাকে তাই আমার জীবন বাচার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। আসামী ধরে যেন দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসে।

এই বিষয়ে রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা কাছে যানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, এই বিষয়ে আমি অবগত না।

ফটো কার্ড প্রিভিউ
শুক্রবার, ০৫ আগস্ট ২০২২

কোটের নির্দেশ অমান্য করে ধরছে না আসামী.. জীবন ঝুঁকিতে বাদী

লিংক কপি হয়েছে!