বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ●
Logo
বিবিধ

ঈদ উপলক্ষে বিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, বঞ্চিত সাধারণ সুবিধাভোগীরা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ১১:২৮ এএম
কপি হয়েছে!

ময়মনসিংহের চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নে ঈদ উপলক্ষে সরকারের বরাদ্দকৃত বিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নবাসীর জন্য বরাদ্দকৃত চালের একটি বড় অংশ বিতরণ করা হচ্ছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নাগরিকদের মধ্যে। এছাড়া একজনের নামে একাধিক কার্ড ব্যবহার করে চাল উত্তোলনের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের অনেকেই চাল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের জন্য মোট ২ হাজার ৬২৮টি বিজিএফ কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একটি কার্ডের বিপরীতে চাল উত্তোলন করার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেকেই চার থেকে ছয়টি, এমনকি এরও বেশি কার্ড ব্যবহার করে চাল নিচ্ছেন। অন্যদিকে দরিদ্র ও প্রকৃত সুবিধাভোগীদের বড় একটি অংশ কোনো কার্ডই পাননি।
অভিযোগ রয়েছে, সরকার দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের হাতে বিপুল সংখ্যক বিজিএফ কার্ড চলে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের প্রশাসক হাবিবুল্লাহ বলেন, “আমার ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ থেকে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে ৫০০ কার্ড দিয়েছি। এছাড়া স্থানীয় এমপি মহোদয়ের কাছ থেকেও কিছু কার্ড তিনি পেয়েছেন।”
ইউনিয়ন পরিষদের জন্য বরাদ্দকৃত কার্ড সিটি করপোরেশন এলাকায় দেওয়া আইনগত বা বিধিমালার মধ্যে পড়ে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নিয়মে নাই, তবে রাজনৈতিক চাপে দিতে হয়।”
ইউনিয়নের কার্ড রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হাতে কীভাবে গেল—এ প্রশ্নে প্রশাসক হাবিবুল্লাহ বলেন, “এমপি মহোদয় নেতাকর্মীদের হাতে দিয়েছেন।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী কাছে ছয়টি কার্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন একটি কার্ড আমার নিজের বরাদ্দকৃত অন্য পাঁচটি আমি টাকার বিনিময়ে কিনেছি।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের তালিকা যাচাই এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।