● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ● পঞ্চগড়ে ভুয়া মামলা ও এআই প্রযুক্তিতে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ● ●
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ● পঞ্চগড়ে ভুয়া মামলা ও এআই প্রযুক্তিতে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ●
Logo
রোজনামচা

ব্যস্ত জীবনে পড়ার অভ্যাস ধরে রাখার কৌশল

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
কপি হয়েছে!

আমাদের প্রতিদিনের রুটিন এখন অনেক বেশি ব্যস্ত। ক্লাস, পড়াশোনা, লেখালেখি আর পেশাগত কাজের ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করা বেশ কঠিন। তবে এই ব্যস্ততার মাঝেও মনকে সতেজ রাখতে এবং নতুন কিছু শিখতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে বাস্তব জীবনের গল্প বা নন ফিকশন পড়ার অভ্যাস আমাদের চারপাশের পৃথিবী সম্পর্কে নতুন ধারণা দেয়। চলুন জেনে নিই প্রতিদিনের ব্যস্ত রুটিনে কীভাবে পড়ার অভ্যাস টিকিয়ে রাখা যায়।

নির্দিষ্ট এবং ছোট লক্ষ্য ঠিক করুন

একসাথে অনেকগুলো বই পড়ার বিশাল চিন্তা না করে ছোট ছোট লক্ষ্য স্থির করা ভালো। ধরুন, আপনি ঠিক করলেন এই বছর মোট ১২টি বই পড়বেন। অর্থাৎ মাসে মাত্র একটি বই পড়ার হিসাব। এই ছোট লক্ষ্যগুলো পূরণ করা সহজ হয় এবং পড়ার আগ্রহও ধরে রাখা যায়।

রুটিনে পড়ার জন্য সময় রাখুন

সারাদিন কাজের শেষে ক্লান্ত লাগাটাই স্বাভাবিক। তাই দিনের এমন একটা সময় বেছে নিন যখন আপনার চারপাশ শান্ত থাকে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অথবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অন্তত ২০ মিনিট বই পড়ার জন্য বরাদ্দ রাখতে পারেন।

পড়ার বিষয় নির্বাচনে বৈচিত্র্য আনুন

একটানা একই বিষয়ের বই পড়লে অনেক সময় একঘেয়েমি চলে আসতে পারে। তাই পছন্দের বিষয়ের পাশাপাশি নতুন কোনো বিষয়ের বই পড়ার চেষ্টা করতে পারেন। সাংবাদিকতা, প্রকৃতি বা জীবনমুখী বইগুলো আমাদের চিন্তার জগতকে আরও বড় করতে সাহায্য করে।

ফোন বা স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন

বই পড়ার সময় মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ দূরে রাখা সবচেয়ে জরুরি। স্ক্রিনের নোটিফিকেশন খুব সহজেই মনোযোগ নষ্ট করে দেয়। পড়ার জন্য নিরিবিলি পরিবেশ বেছে নিলে খুব দ্রুত বইয়ের মূল বিষয়ের সাথে যুক্ত হওয়া যায়।

আমাদের প্রতিদিনের রুটিন যাই হোক না কেন, একটু সদিচ্ছা থাকলে সেখানে বই পড়ার জায়গা করে নেওয়া যায় খুব সহজেই। একটি ভালো বই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ক্লান্তি দূর করে এবং নতুনভাবে ভাবতে শেখায়।