বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ●
Logo
জাতীয়

নগরকান্দায় মৃৎ শিল্পের কুমারদের জীবন কাটছে মাটির সাথে

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ মার্চ ২০২৪, ০২:১১ পিএম
কপি হয়েছে!

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের পাল পাড়ার মৃৎ শিল্পের কারিগরা সারা বছর জুড়েই মাটি দিয়ে বাহারি ধরনের জিনিসপত্র বানাতে ব্যস্ত থাকে। তাদের জীবন কাটছে মাটির সাথে।

প্রাচীনকাল থেকে বংশনুক্রমে গড়ে ওঠা গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎ শিল্প আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। যারা মাটি নিয়ে কাজ করে পেশায় তারা কুমার আবার অনেকে বলে পাল। দিন দিন যেভাবে এ শিল্প বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে তাতে তারা এ পেশা নিয়ে বেশ চিন্তিত। তারপরও নগরকান্দায় এমন এলাকা বা এমন গ্রাম আছে যেখানে এখনো বাংলার ঐতিহ্য তারা ধরে রেখেছে। এমনি একটি গ্রাম হচ্ছে
গোপালপুর। পাল পাড়ায় বসবাস করে ৩৫ টি পাল পরিবার।
এক সময় এসকল কুমার পল্লীর মানুষের বাড়ির প্রায় সব ঘর ছিল মাটির তৈরী। সময়ের পরিবর্তনে এখন তাদের বাড়ী ঘরের অনেক পরিবর্তন ঘটেছে।

তাদের বাড়ির সামনে ছোট্ট উঠান। উঠানজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কাদামাটির তৈরি হাঁড়ি,পাতিল, কড়াই কলস,ফুলের টপ,চারি ও দইয়ের খুঁটিসহ ছোট-বড় নানা রকমের পাত্র। এমনকি হিন্দু ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন পুঁজা উৎসবকে সামনে রেখে তারা নিপুণ হাতে প্রতিমা ও তৈরি করেন। এশিল্পের সাথে জড়িতদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান অনুন্নত হলেও তাদের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ নিপুণ শৈল্পীক গুণাবলী।এসকল জিনিসপত্র পাইকারি ও বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করে থাকেন। কোনমতে দিন কাটছেন পাল পাড়ার কুমারদের জীবন। মাটির অভাবে বেশি জিনিসপত্র এখন আর বানাতে পারছেনা।এগুলো বিক্রি করে কোনমতে দিন যাপন করছেন তারা।

পাল পাড়ার কুমাররা সরকারি ভাবে সাহায্য সহযোগীতা পেতে সরকারি সংশ্লিষ্টদের কাছে জোর দাবী জানান।