বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ●
Logo
টেক দুনিয়া

‘আনফ্রেন্ড’ দিবস আজ

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০২২, ০১:১৯ পিএম
কপি হয়েছে!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজকাল ছেলে-বুড়ো সব বয়সী মানুষেরই পদচারণা ব্যাপক লক্ষণীয়। বিশেষ করে ফেসবুক ব্যবহার তো আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনেরই অংশ হয়ে উঠেছে। ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় পরিচিতদের পাশাপাশি অনেক সময় কিছু অজ্ঞাত আগন্তুকেরও অবস্থান থাকে। এদের মধ্যে কেউ হয়ত শুধুই অপরিচিত আবার কেউ বিব্রতকর অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়া বিরক্তিকর ব্যক্তি।

সময়ের অভাব, আলসেমি কিংবা অন্য কোনো কারণে সারা বছর তাদের আনফ্রেন্ড করার সুযোগ হয় না। তবে আজ চাইলে সেই সব অপরিচিত কিংবা অপ্রিয় মানুষকে আনফ্রেন্ড করে দিতে পারেন। আজ যে আনফ্রেন্ড দিবস। সারা বছর যাদের উৎপাত সহ্য করতে হয়েছে এবং আজ-কাল করে করে বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না, আজ তাদের ছাঁটাই করার মোক্ষম দিন।

বন্ধু বা ফ্রেন্ড আমাদের কাছে শত বছরের প্রচলিত এবং খুব পরিচিত একটি শব্দ। তবে আনফ্রেন্ড ব্যাপাটির সঙ্গে অনেক পরিচিত না। বাস্তবে বন্ধুত্ব তৈরি করা সম্ভব হলেও প্রকৃতপক্ষে আনফ্রেন্ড করা ঠিক সম্ভব না। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্ভুত আনফ্রেন্ড শব্দটির প্রচলন আর প্রয়োগও তাই ভার্চুয়াল জগতেই সীমাবদ্ধ।

২০০৯ সালে অক্সফোর্ড ডিকশনারির সেরা শব্দ বলে বিবেচিত হওয়া আনফ্রেন্ড-এর সংজ্ঞা হলো ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দেওয়া। তৎকালীন সময়ে আনফ্রেন্ড শব্দটি অনেকের কাছে অপরিচিত থাকলে গত কয়েক বছর থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ে এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শব্দের মধ্যে অন্যতম।

কৌতুক অভিনেতা জিমি কিমেলের হাত ধরে ২০১৪ সালে ‘‘আনফ্রেন্ড ডে” প্রতিষ্ঠিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বন্ধু তালিকা থেকে অপরিচিত ও বিরক্তিকর ব্যক্তিকে ছাঁটাই করাই ছিল এই দিবস প্রচলনের মূল উদ্দেশ্য। জিমি কিমেলের ধারণা ছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্ধু তালিকায় এমন অনেকে যুক্ত হয়ে যান, যারা আমদের অপরিচিত। এমনকি তাদের সঙ্গে আমাদের কখনো যোগাযোগও হয় না। সেসব ব্যক্তিদের ছাঁটাই করার উপলক্ষ হিসেবেই তিনি এই দিবস চালু করেন।

অনেকের কাছে আনফ্রেন্ড করার বিশেষ দিন না থাকলেও যারা অন্যদিনগুলোতে কাজটি করতে পারেন না, আজকের দিনটি তাদের জন্যই। আনফ্রেন্ড দিবস চাইলে অনেকভাবেই উদযাপন করা যায়। ফেসবুক প্রোফাইলের বন্ধু তালিকা স্ক্রল করলে দেখবেন এমন অনেক প্রোফাইল আছে যাদের আপনি চেনেন না এবং তাদের সঙ্গে আপনার কখনোই যোগাযোগ হয়নি। এদেরকে আনফ্রেন্ড করলে আপনার বন্ধু তালিকা আরও পরিচ্ছন্ন হবে।

এছাড়া, অপরিচিত প্রোফাইলগুলোর মধ্যে এমন অনেকে আছে যারা অযাচিত মেসেজ এবং অপ্রীতিকর মন্তব্য করে থাকেন। যদি আপনার সঙ্গে না করে সেসব প্রোফাইল অন্যদের সঙ্গে এসব কাজ করে, তবুও তাদের আনফ্রেন্ড করে দিন। কারণ আজ না হলেও কাল আপনাকেও তাদের কাছে একই পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন।