ঝালকাঠিতে এটিএসআই সাখাওয়াত বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল গ্যারেজ মেকানিক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার রাত সাড়ে আটটায় শহরের আমতলা সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
আহত নিরব হোসেন জানান রাত সাড়ে আটটার দিকে মোটরবাইক নিয়ে গ্যারেজে যাচ্ছিলেন। এমন সময় এটিএসআই সাখাওয়াত হোসেন কোন সিগনাল না দিয়েই হঠাৎ করে লাইট বন্ধ করে মোটরসাইকেল থামিয়ে দেয়। এসময় পিছনে থাকা নিরবের মোটর সাইকেলের সাথে সাখাওয়াত হোসেনের মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এসময় সাখাওয়াত হোসেন নিরবকে মারধর করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকে। স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। নিরব হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। তার পরিবারের সাথে কথা বলে আইনি ব্যাবস্থা নিবে বলেও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর ট্রাফিক ফাড়িতে কর্মরত এটিএসআই শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ঐই ছেলে তার মোটর সাইকেলে ধাক্কা দিয়েছে। এতে তার হাতে ব্যাথা পেয়েছেন। নম্বর প্লেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটু বকা দিয়েছি, তবে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা।
ঝালকাঠি পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল বলেন, আমি এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখছি।
ঝালকাঠিতে র্যাইবের গুলিতে পা হারানো লিমনের বাবার ওপর হামলা
একজনের দুই বছর কারাদণ্ড
এইচ এম নাসির উদ্দিন আকাশ ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ২০১১ সালে র্যা বের গুলিতে পা হারানো লিমন হোসেনের বাবা তোফাজ্জল হোসেন আকন (৬০) কে পিটিয়ে হাড়ভাঙ্গা রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় ইব্রাহিম হোসেন (৪৮) নামে এক ব্যাক্তিকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার (১৯সেপ্টেম্বর) ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক মোঃ আবুল কালাম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অপর ৫ আসামীকে খালাশ প্রদান করা হয়। আদালতে রাস্ট্র পক্ষের কৌসুলি এপিপি এডভোকেট এম.এ জলিল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল দুপুরে সাজাপ্রাপ্ত মোঃ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে ৫/৬ জন লিমনের বাবা মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন আকনের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তোফাজ্জেলকে পিটিয়ে রক্তাক্ত হাড়ভাঙ্গা জখম করে। এতে তোফাজ্জেলের একটি বাহু ভেঙ্গে যায়। এ ব্যাপারে ঘটনার পরের দিন লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে রাজাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। রাজাপুর থানার এস.আই মাইনউদ্দিন মুন্না ২০১৯ সালের ২৭ মে ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। আদালত ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে সোমবার এ রায় ঘোষণা করে। মামলার বাদী লিমন হোসেনের মা হেনোয়ারা বেগম বলেন, আমাদের বসত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতেই ২০১১ সাল থেকে ইব্রাহিম আমাদের পেছনে লেগে আছে। সে র্যা বের সোর্স হিসেবে কাজ করতো। ২০১১ সালের ২৩ মার্চ এই ইব্রাহিম র্যা বকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার ছেলে লিমনকে গুলি করায়। আল্লাহর কাছে হাজার শোকর এতদিন পর হলেও কিছু একটা বিচার পেয়েছি। উল্লেখ্য র্যা বের গুলিতে পা হারানো লিমন হোসেন আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে সাভার গণবিশ্বিবিদ্যালয়ে আইন বিভাগে শিক্ষকতা করছে।
