● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ● পঞ্চগড়ে ভুয়া মামলা ও এআই প্রযুক্তিতে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ● ●
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ● পঞ্চগড়ে ভুয়া মামলা ও এআই প্রযুক্তিতে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ●
Logo
বিবিধ

যে রাজনীতি রাষ্ট্রে অপরিহার্য, অথচ জনগণ সেই রাজনীতিকেই ঘৃণা করে

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:১৫ পিএম
কপি হয়েছে!

 

রাজনীতি ছাড়া রাষ্ট্রের চলাচল অসম্ভব। আইন প্রণয়ন, প্রশাসন, উন্নয়ন পরিকল্পনা, বাজেট ও ন্যায়বিচার—সবই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। অথচ সাধারণ মানুষ প্রায়শই সেই রাজনীতিকেই অবিশ্বাস, বিরক্তি বা ঘৃণার চোখে দেখে। রাজনীতি অপরিহার্য হলেও মানুষ কেন ঘৃণা করে, তা বোঝা গেলে প্রতিকারও খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

প্রথম সমস্যা হলো প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবতার ফারাক। নির্বাচনের সময় রাজনীতি নানা আশার প্রতিশ্রুতি দেয়—রাস্তা, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষি সহায়তা। কিন্তু ভোটের পর এই প্রতিশ্রুতির অনেকটাই বাস্তবায়িত হয় না। ফলে মানুষ মনে করে রাজনীতি শুধুই কথার খেলা। প্রতিকার: রাজনীতিকদের উচিত নির্বাচনের আগে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা দেওয়া এবং নির্বাচনের পরে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য দেওয়া।

দ্বিতীয় সমস্যা হলো ব্যক্তিগত স্বার্থ ও ক্ষমতার রাজনীতি। ক্ষমতা অর্জন ও ধরে রাখার জন্য দলাদলি ও প্রভাব বিস্তার হলে সাধারণ মানুষের সমস্যা পিছনে পড়ে। প্রতিকার: স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতির সংস্কৃতি গড়ে তোলা। যেমন, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে জনগণ সরাসরি প্রশ্ন করতে পারবে, প্রশাসনিক কাজের অগ্রগতি দেখতে পারবে।

তৃতীয় সমস্যা হলো রাজনীতির অস্থিরতা ও সংঘাত। সামাজিক উত্তেজনা ও বিভাজন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অস্থিরতা তৈরি করে। প্রতিকার: রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সহমত গড়ে তোলার সংস্কৃতি। বিরোধ হলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান নিশ্চিত করা।

চতুর্থ সমস্যা হলো যোগ্য ও সৎ মানুষদের রাজনীতিতে আসতে ভীতি বা অনীহা। অনেক সক্ষম নেতা রাজনীতির খেলার মাঠে আসেন না। প্রতিকার: রাজনীতিকে আরও উন্মুক্ত ও নিরাপদ করা, যেখানে যোগ্য নাগরিক সহজেই অংশগ্রহণ করতে পারবে।

সবশেষে, মানুষের অত্যাধিক প্রত্যাশা আর হতাশা রাজনীতিকে ঘৃণার জন্ম দেয়। প্রতিকার: জনগণকে শিক্ষিত এবং সচেতন করা, যাতে তারা রাজনীতিকদের কাজ বিচার করতে পারে, এবং নেতার দায়িত্ব ও সীমাবদ্ধতা বোঝে।

রাজনীতি খারাপ নয়; খারাপ হয় এর ভুল প্রয়োগে। রাষ্ট্র টিকে রাজনীতির ওপর, আর রাজনীতি টিকে জনগণের বিশ্বাসে। যদি আমরা সচেতনভাবে প্রতিকারগুলো গ্রহণ করি—স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সংলাপ ও শিক্ষিত জনগণ—তাহলে রাজনীতি ঘৃণিত নয়, আস্থাভাজন হয়ে উঠবে।

 

লেখক -মোঃ শহিদুল ইসলামস দস্য সচিব ,পানি উন্নয়ন বোর্ড জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ,রেজিঃ নং বি ১৯০১, টাঙ্গাইল শাখা