লংগদু উপজেলার কাট্টলীবিলে স্পিড বোট দুর্ঘটনায় নিখোঁজ রিটন চাকমা ও এলোমিনা চাকামার কাট্টলীবিল হতে মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস এবং লংগদু থানা পুলিশের কর্মীরা।
রবিবার (৬ নবেম্বর) রাত ২টায় রিটন চাকমা এবং সকাল ৬ টায় এলোমিনা চাকমাকে কাট্টলীবিল হতে উভয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল উদ্দিন।
উদ্ধারকৃত রিটন চাকমা (২০) বাঘাইছড়ির উপজেলার ক্যাংড়াছড়ি গ্রামের মুক্ত লাল চাকমার ছেলে, নিখোঁজের ৩৪ ঘন্টা পর জেলেদের জালে ভেষে উঠে তার নিথর দেহটি।
অন্যদিকে নিখোঁজ এলোমিনা চাকমা (২০) বরকল উপজেলার হাজাছড়া গ্রামের সুরত চাকমার মেয়ে নিখোঁজের প্রায় ৪০ ঘন্টা পর তার নিথর দেহটি ভাসমান অবস্থায় এলাকাবাসী দেখতে পান।
পরে রাত ২ টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সহ লংগদু পুলিশের এসআই শাহাবুর ও এসআই মশিউর এর নেতৃত্বে একটি টিম রিটন চাকমাকে উদ্ধার করেন এবং সকাল ৬ টার দিকে এলোমিনা চাকমার নিথর দেহটি উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি এবং লংগদু থানা পুলিশের কর্মীরা।
প্রসঙ্গতঃ গত (৪ নবেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে যাত্রীবাহী স্পিড বোটের আহত এবং নিখোঁজ সকলেই শিজকমুখ কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন,প্রয়োজনীয় কাজ শেষে রাংগামাটির উদ্দেশ্যে স্পিডবোট্টি রওয়ানা হলে কাট্টলীবিলে পৌঁছালে বিপরিত দিক থেকে আসা বালুর বোটের সাথে সংঘর্ষ হয়, সাত জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করলেও নিখোজ ছিলো দুইজন এর পরপরই লংগদু থানা পুলিশের কর্মীরা এবং ফায়ারসার্ভিসের কর্মীরা অনবদ্য খোঁজাখুঁজি চলমান রেখেছিলেন।
এদিকে রবিবার সকালে যোগাযোগ করা হলে লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) ইকবাল উদ্দিন জানান, রিটন চাকমা এবং এলোমিনা চাকমার মৃত দেহ বর্তমানে থানা হেফাজতে আছেন আইন আনুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
