পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় ‘নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে ধান চাষে কীটনাশক ও আগাছানাশকের ব্যবহার হ্রাসকরণ এবং ক্ষতিকর প্রভাব নিরূপন’ কর্মসূচির মাধ্যমে ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস প্রদর্শনী হয়েছে।
রোববার ৬ নভেম্বর দুপুরে উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের দরবেশপাড়ায় কৃষক আতিকুর রহমানের বাড়ির উঠোনে এ প্রদর্শনী বাস্তবায়ন হয়।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবীর।
বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে কৃষি জমির পরিমাণ, উর্বরতা, ভূ-গর্ভস্থ পানির প্রাকৃতিক সম্পদ এবং কৃষি শ্রমিক ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া পরবর্তীতে জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলা করে ধানের ফলন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে ধানের চাহিদা মেটানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ধান উৎপাদনে সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে উচ্চ ফলনশীল আধুনিক জাত ও টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং সম্প্রসারণের মাধ্যমে ফলন বাড়ানো আমাদের লক্ষ্য।
পঞ্চগড়ের সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নজমুল বারী, পঞ্চগড় বিএডিসির উপপরিচালক মোজাহারুল ইসলাম, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক শাহ আলম মিয়া প্রমূখ।
এর আগে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকসহ অতিথিরা কৃষক আতিকুর রহমানের ধান ক্ষেত পরিদর্শন করেন। যেখানে স্বল্প জীবনকাল সস্পন্ন আগাম জাতের ব্রি ধান- ৯৩ আবাদ করা হয়েছে। যার ফলন হয়েছো বিঘায় ২৫ মণ।
