উপজেলার উদীয়মান, পরিচ্ছন্ন এক রাজনৈতিকের নাম রাজু আহম্মেদ মিঠু। দেবীগঞ্জ উপজেলাকে মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং, হয়রানীমুলক মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধমুক্ত করতে জনসচেতনতা সৃষ্টি আর দেবীগঞ্জকে একটি মডেল উপজেলা করার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তিনি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন চষে বেড়াচ্ছেন। খোজ খবর নিচ্ছেন এলাকার মানুষের। দাড়াচ্ছেন গরীব, অসহায় আর দিনমুজুরদের দ্বারপ্রান্তে।
রাজু আহম্মেদ মিঠু দেবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী যুবলীগের কার্যকরী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথেও জড়িত।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি আদর্শ বুকে ধারন করে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিষন মিশন বাস্তবায়ন করতে তিনি একাট্রতা। যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়েও মুল সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে লিয়াজো করে দলীয় কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর সকল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।
দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের মুসল্লীদের নামাজ আদায়ের সুবিধার জন্য আর অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিশেষ করে রড সিমেন্ট, ইট দান করে যাচ্ছেন আর অর্থনৈতিক ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
মন্দিরে পূজা অর্চনা করার জন্য অনুরুপ ভাবে অর্থনৈতিক ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তিনি।
উপজেলার বিভিন্ন হাফেজিয়া ও এতিম খানার ছাত্রদের লেখাপড়া করার জন্য তাদের কে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন৷ অর্থনৈতিক ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। শীতের সময় এলাকার অসহায়, গরীব, দুস্থ, দিনমুজুর আর হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিম খানায় দিয়েছেন শীতবস্ত্র। শীতবস্ত্র দিয়ে তাদেরকে কিছুটা হলেও শীত নিবারনের চেষ্টা করেছেন। যাতে প্রচন্ড শীতের মধ্যে একটু হলেও তারা গরমের পরশ পান।
প্রতি বছর ঈদের সময় এলাকার অনেক অসহায়, গরীব আর দুস্থ মানুষ আছে যাদের নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নাই। কে দিবে তাদের নতুন কাপড়। কে দাড়াবে তাদের পাশে। তাদের সেসব পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য রাজু আহম্মেদ মিঠু এগিয়ে এসেছেন। দিয়েছেন তাদেরকে নতুন শাড়ি, লুঙ্গী। তার সাথে দিয়েছেন সেমাই, চিনি, চাল, ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। যাতে ঈদের দিন তারা পরিবার পরিজন নিয়ে হাসি মুখে ঈদ করতে পারে।
এলাকার বিভিন্ন ক্লাবসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোতে দিয়েছেন অসংখ্য খেলার সামগ্রী। সাথে দিয়েছেন আর্থিক সহযোগিতা।
রাজু আহম্মেদ মিঠু ছাত্র জীবন থেকেই আওয়ামী লীগের আর্দশে বড় হয়েছেন। ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগে আজ যুবলীগের হাল ধরেছেন। যুবলীগকে করেছেন সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী। সে একমাত্র সম্ভব হয়েছে তার নীতি ও আদর্শের জন্য। তার কারনে দেবীগঞ্জ উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ নিজ নিজ ইউনিয়নে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী। দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।
প্রতিটি কর্মকান্ডে রাজু আহম্মেদ মিঠু জড়িত থেকে এলাকার মানুষের মনে প্রানে জায়গা করে নিয়েছেন। দেবীগঞ্জ উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের লোকজনদের মুখে হাসি ফুটানো আর বিপদে আপদে এগিয়ে আসার জন্য তিনি আগামী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষন করেছেন। তিনি দেবীগঞ্জ উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা করতে চান। তিনি দেবীগঞ্জ উপজেলার সকল মানুষের ভালোবাসা পেতে চান আর তার সাথে চান সবার সহযোগিতা।
দেবীডুবা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির বলেন, দল যদি রাজু আহম্মেদ মিঠুকে মনোনয়ন দেন তাহলে দেবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে আশা করি। সে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সাধারন মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। সাধারন মানুষ হয়রানির শিকার হবেনা।
রাজু আহম্মেদ মিঠু বলেন, দেবীগঞ্জ উপজেলাকে একটি সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত, মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানিবন্ধ, যৌতুক বাল্যবিবাহ, জুয়া নির্মুল করার জন্য কাজ করে যাবো। দেবীগঞ্জ উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে তৈরি করবো। উপজেলা পরিষদ কারো একাকিত্বে চলবেনা। উপজেলা পরিষদ হবে সবার।
