বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ●
Logo
শোবিজ

আমি মানুষের জীবন পড়তে চাই : আরজে শান্ত

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৫:২১ পিএম
কপি হয়েছে!

বাংলাদেশের রেডিও জগতের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ আরজে শান্ত। শুধুমাত্র রেডিওতেই নয় বরং মশিউর রহমান শান্ত ইতিমধ্যে তার লেখার মাধ্যমেও বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এই পর্যন্ত তার ১৫ টি বই প্রকাশ পেয়েছে। চলতি সপ্তাহে রেডিও ধ্বনিতে শুরু হয়েছে নতুন দুটি শো “হোয়াইট কলার” এবং “আহা জীবন”। তার বর্তমান ব্যস্ততা নিয়েই কথা হয় তার সঙ্গে। কথা বলেছেন- তানজিদ শুভ্র

ব্যস্ততা কেমন?
ব্যস্ততা নতুন বই অভিমানের শহর নিয়ে। তবে এর বাইরে আমার টিভি শো এবং রেডিও শো নিয়েও পরিকল্পনা চলছে। সেটা নিয়েও ব্যস্ততা যাচ্ছে।

নতুন রেডিও অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলুন
রেডিও ধ্বনি ৯১.২ এফএমে নতুন দুটি অনুষ্ঠান এসেছে। একটির নাম “আহা জীবন” আরেকটির নাম “হোয়াইট কলার” আমি দুটো অনুষ্ঠান নিয়েই ভীষণ আশাবাদী। “আহা জীবন” যা মানুষের জীবনের গল্প নির্ভর একটি অনুষ্ঠান হবে। “আহা জীবন” নামটি মনদীপ ঘরাই দাদা দিয়েছেন। আমি জীবনে অনেক কিছুর জন্যে দাদার কাছে কৃতজ্ঞ। এই অনুষ্ঠানের কনসেপ্ট শুনবার পরেই উনি এই নাম দেন। অপরদিকে “হোয়াইট কলার” মূলত কর্পোরেট জগতের সফল মানুষদের গল্প নিয়ে। পূর্বে যেভাবে শ্রোতাদের ভালোবাসা আমি পেয়েছি। আমি আশা করছি এবারও ঠিক তেমন ভাবেই আমার শ্রোতারা আমাকে গ্রহণ করবেন।

আপনি আগেও এই প্যাটার্নে ধোকা এবং বি পজেটিভ অনুষ্ঠান করেছেন এবার আহা জীবন। এই যে মানুষের জীবনের গল্প নিয়ে কাজ করছেন। আরজে শান্তর কাছে জীবনের মানে কি?
সত্যি বলতে আমার কাছে জীবনের মানে হল গল্প। কখনো গল্পের জীবন কিংবা জীবনের গল্প। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও আমি মানুষের জীবন পড়তে চাই। একজন রেডিও জকি হিসেবে নয় একজন লেখক হিসেবেও আমার মানুষের গল্প শুনতে যেমন ভালো লাগে তেমনি বলতে ভালো লাগে।

সম্প্রতি গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ এ্যাওয়ার্ড পেলেন, কেমন ছিল অনুভূতি?
অসাধারণ। নেপালের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এ্যাওয়ার্ড পাওয়ার মুহূর্ত আমার জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্তের মধ্যে একটি। এছাড়া নেপাল ঘুরে বেড়িয়ে ভীষণ আনন্দ পেয়েছি। কাজের স্বীকৃতি পাওয়াটা সব সময়ই আনন্দের। এই আনন্দকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে সামনের কাজগুলো এগিয়ে নিতে চাই।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
আগামীকাল বেঁচে থাকব সেটার যেহেতু কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই ভবিষ্যৎ আমাকে ঠিক ততোটা ভাবায় না। যা হবার হবে, না হবার না হবে। আফসোস নেই কোন কিছুতেই।