বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ●
Logo
রোজনামচা

তিন মাস পর করোনায় মৃত্যুহীন বাংলাদেশে একদিন

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২২, ০৬:১৮ পিএম
কপি হয়েছে!

তিন মাসের বেশি সময় পর করোনায় মৃত্যুহীন দিন পার করল বাংলাদেশ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা করে ২১৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এর আগে সবশেষ ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুহীন একটি দিন পেয়েছিলো বাংলাদেশ। এরপর সেই মাসেই বিশ্বে ছড়াতে শুরু করে করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক নতুন ধরন ওমিক্রন। শনাক্ত রোগীর সঙ্গে মৃত্যুও বাড়তে থাকে।

তবে, ফেব্রুয়ারি থেকে আবার নামতে শুরু করে করোনা রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা রোগী শনাক্তের হার ১ দশমিক পাঁচ-চার শতাংশ।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪২ জনে। সুস্থ হয়েছেন আরো ১৬ হাজার জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ ১৮ লাখ ৬৪ হাজার ৪০৮ জন।

এর আগে গতকাল ১ জনের মৃত্যু হয়। কোভিড শনাক্ত হয় ২৩৯ জনের। শনাক্তের হার ছিল ১ দশমিক চার-নয় শতাংশ। সেই বিবেচনায় আজ মৃত্যু ও শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে।

এনিয়ে প্রায় আড়াই মাস পর দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা নেমে এসেছে তিনশর নিচে। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর এর চেয়ে কম রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

গত ২৫ জানুয়ারি ১৬ হাজার ৬৬ জন রোগী শনাক্তের খবর এসেছিল, যা মহামারির মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তার আগে ১৮ জানুয়ারি প্রায় ৬ মাস পর শনাক্তের হার ৩১ শতাংশ ছাড়ায়। যদিও জানুয়ারির শেষ দিকে শনাক্তের হার কিছুটা কমে ৩০ শতাংশের নিচে নামে। ওমিক্রন আতঙ্ক কিছুটা কাটিয়ে দেশে কয়েক দিন ধরে শনাক্তের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

এর আগে, ওমিক্রন আতঙ্কের শুরুর দিকে দেশে কয়েক সপ্তাহ ধরে শনাক্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছিল। তাই সংক্রমণ ঠেকাতে বেশকিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল সরকার। তবে ধীরে ধীরে সেসব বিধিনিষেধ তুলে নেয় সরকার। ইতিমধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়েছে।

গত বছরের মাঝামাঝি করোনার ডেল্টা ধরনের দাপটে দেশে করোনায় মৃত্যু, রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার বেড়েছিল। তবে আগস্টে দেশব্যাপী করোনার গণটিকা দেয়ার পর সংক্রমণ কমতে থাকে।

গত বছরের ১১ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ শনাক্তের খবর আসে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনার সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। ২০২১ সালের ৩১ আগস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়।

করোনার ভারতীয় ধরন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২০২১ সালের ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

গত বছর জুলাই-আগস্টে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ পায়। ৫ আগস্ট ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে একদিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এর ফলে ইউরোপ ও আমেরিকায় নতুন করে সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে শুরু করে। তবে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী টিকা কর্মসূচির কারণে করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর হার অনেকটা কমে এসেছে।