শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ●
Logo
জনপদ

কুমিল্লার লালমাইয়ে পুরস্কারের টাকার ভাগ না পেয়ে ছাত্রকে প্রহার করল মাদ্রাসার শিক্ষক!

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ মে ২০২২, ০৫:০১ পিএম
কপি হয়েছে!

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বেলঘর উত্তর ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত সাধুরা কলমিয়া তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার ছাত্র ইয়াছিন আরাফাত মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মোঃ সাইফুল ইসলাম কর্তৃক শারীরিক প্রহারের শিকার হয়।

লালমাই থানা প্রশাসন, বেলঘর উত্তর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সুদৃষ্টি কামনা করে প্রিন্সিপাল কে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে স্থানীয়রা।

উল্লেখ যে, ইতিমধ্যে শিক্ষক কতৃক ছাত্র প্রহারের ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের ও স্থানীয় চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছে।

‘পি এইচ পি কোরআনের আলো প্রতিভার সন্ধানে’ প্রতিযোগিতায় ৪র্থ স্থান দখলকারী ছাত্রকে শারীরিকভাবে প্রহার করেছে।

কুমিল্লা লালমাই উপজেলাধীন বেলঘর উত্তর ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত সাধুরা কলমিয়া তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার-ছাত্র ইয়াছিন আরাফাত মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মোঃ সাইফুল ইসলাম কর্তৃক শারীরিক প্রহারের শিকার হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, সম্প্রতি ইয়াছিন আরাফাত পি”এইচ পি কোরআনের আলো প্রতিভার সন্ধানে প্রতিযোগিতায়-২০২২” এ অংশ গ্রহন করে ৪র্থ স্থান লাভ করে। এ বাবদ সে পুরস্কার হিসেবে নগদ একলক্ষ টাকা, একটি ল্যাপটপ, একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল সেট ও একটি রৌপ্য মেডেল পায়।

সবগুলো পুরস্কার প্রিন্সিপাল রেখে দেয় এবং নগদ একলক্ষ টাকার জন্য তার মা সহ প্রিন্সিপালের কাছে দাবি জানালে অনেক তালবাহানার পর পঞ্চাশ হাজার টাকা তাকে প্রদান করা হয়। দাবি করে পঞ্চাশ হাজার টাকা নেয়ার পর থেকে ইয়াসিন আরাফাতের উপর প্রিন্সিপাল সাহেব ক্ষিপ্ত হয়ে কারণে অকারণে ক্লাসে মারধর করতে থাকে। সর্বশেষ গত ১৮ মে সকাল ৬ ঘটিকার সময় ইয়াসিন আরাফাতকে তার রুম থেকে অন্যান্য ছাত্রদের সহায়তায় টেনে হিঁচড়ে প্রিন্সিপালের অফিস কক্ষে নিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। মারের কারণে তার পরনে থাকা পাঞ্জাবি ছিঁড়ে যায়। পরে তার মাথা ন্যাড়া করে একটি রুমে তাকে বন্দি করে রাখে।

এর পরদিন ১৯ মে সকাল বেলায় ইয়াছিন মাদ্রাসার পিছনের পথ দিয়ে পালিয়ে বাড়িতে চলে আসে এবং তার মা, ভাই ও আত্মীয় স্বজনের কাছে লোমহর্ষক এই ঘটনার বর্ণনা জানা যায়।