বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ●
Logo
বিদ্যাপীঠ

অল্প বয়সেও চারিত্রিক মাধুর্যতা ও বিনয়ীভাব ছিলো শেখ রাসেলের মধ্যে : ইবি ভিসি

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৩, ০৩:২৭ পিএম
কপি হয়েছে!

অল্প বয়সেও চারিত্রিক মাধুর্যতা ও বিনয়ীভাব ছিলো শেখ রাসেলের মধ্যে যা তাকে করেছিলো অন্য আর দশটা শিশুদের থেকে আলাদা, বুধবার সকালে শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে শেখ রাসেল হলের টিভি রুমে শেখ রাসেল দিবস-২০২৩ উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. দেবাশীষ শর্মা এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম এ কথা বলেন। তিনি বলেন, শেখ রাসেলকে পরবর্তীতে দেশ পরিচালনার নেতৃত্বে উপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছিল বিভিন্ন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে। ছোটবেলা থেকেই রাসেল ছিলো শান্ত ও ধীরস্থির স্বভাবের। তিনি উপস্থিত ইবি ল্যাবরোটরী স্কুল এন্ড কলেজের কোমলমতী শিক্ষার্থীদের উদ্যোশে বলেন, তোমরা নিজেকে শেখ রাসেলের মতো করে গড়ে তোলো কারন তোমরাই ভবিষ্যৎতে দেশকে নেতৃত্ব দেবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা কখনও চায়নি বঙ্গবন্ধু পরিবারের কেউ যেন ভবিষ্যৎতে দেশ পরিচালনায় নেতৃত্ব দিতে না পারে। তাই ১৫ আগষ্টের এই নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকান্ড। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছিলো। আর তাঁর কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় ও অবিচল নেতৃত্বে দেশ আজ সব দিক থেকে এগিয়ে গেছে। তিনি দেশ বিরোধী দেশের স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে সব ধরনের প্রোগ্রাম থেকে বয়কট করবার আহবান জানান। অপর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশে আজ সুনিদিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আর সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এর রক্তের যোগ্য উত্তোরাধিকারী জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশ আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মাট বাংলাদেশে রুপান্তরিত হয়েছে। দেশের অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর বুকে উন্নয়নের রোল মডেল। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জনাব এইচ. এম. আলী হাসান। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাএলীগ ইবি শাখার সভাপতি আরাফাত হোসেন ও সাধারন সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়। এরপর শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে শেখ রাসেল হলের হলরুমে বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থিওলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এরশাদ উল্লাহ, প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ, পরিবহন প্রশাসক প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. এ এইচ এম আক্তারুল ইসলামসহ বিশ^বিদ্যালয়ের সকল পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শেখ রাসেল হলের শিক্ষার্থীবৃন্দ ও ইবি ল্যাবরোটরী স্কুল এন্ড কলেজের কোমলমতী শিক্ষার্থীবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে শেখ রাসেলের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনাসভা, কেক কাটা ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্টানটি পরিচালনা করেন টিএসসিসির পরিচালক ও উপ-কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. মোঃ বাকী বিল্লাহ।
কর্মসূচীর শুরুতে ১৮ অক্টোবর বুধবার সকাল ৯টা ৩০মিনিটে শেখ রাসেল হল চত্বরে শেখ রাসেলের ভাস্কর্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম। এ সময় সাথে ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জনাব এইচ. এম আলী হাসান।
শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে অত্র ভাস্কর্য চত্বরে আনন্দের প্রতীক রং বেরংয়ের বেলুন উড়িয়ে শেখ রাসেল দিবস-২০২৩-এর কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম। এ পর্যায়ে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জনাব এইচ. এম আলী হাসান সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।