বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ●
Logo
বিদ্যাপীঠ

ডিবি পরিচয়ে জবি শিক্ষার্থীর কাছে ছিনতাই

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:০৯ পিএম
কপি হয়েছে!

তানভীর আনজুম, জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের তিন শিক্ষার্থীর কাছে ডিবি পরিচয়ে মোবাইল, টাকাসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ছিনতাই করে একটি সন্ত্রাসী চক্র।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে রিক্সায় করে কমলাপুর রেলস্টেশনে যাওয়ার পথে মতিঝিল শাপলা চত্বরে এ ঘটনাটি ঘটে।

ভোক্তাভোগী হাবিবুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল আসিফ ও হাফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

হাবিবুর রহমান জানান, আমরা নাটোরের এক বন্ধুর বাসায় ঘুরতে বাবু বাজার থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনের দিকে রিকশা নিয়ে যাচ্ছি। মতিঝিল শাপলা চত্বরের পাশে পৌছালে পেছন থেকে একটি সাদা মাইক্রোবাস এসে আমাদের পথ আটকে দেয়।  আইন শৃঙ্খলা বা ডিবি পুলিশ পরিচয়ে রিকশা থামায়। কোনো কথা না বলেই গাড়ি থেকে তিনজন নেমে এসে আমাদের মোবাইল, টাকা,মানিব্যাগসহ কাধের ব্যাগ নিয়ে যায়। আমাকে চাপাতির উল্টো পাশ দিয়ে মাথায় আঘাত করে।

আহত আসিফ জানান, প্রথমে আমি মোবাইল দিতে চাই নি। তখন আমার মাথায় চাপাতি দিয়ে কোপ দিয়ে সব নিয়ে যায়। মাথা থেকে রক্ত ঝরতে থাকে। তারপর হাবিব ৯৯৯ কল দিয়ে গাড়ি নাম্বারটি বলে। গাড়ির নাম্বারটি ছিল ঢাকা মেট্রো-গ ২১০৩১৪। তারপর নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে বলেন।

থানায় যোগাযোগ করলে মতিঝিল থানার কর্মরত পুলিশ অফিসার আলমগীর হোসেন বলেন,  একই নাম্বারের গাড়িটি রাজধানীর আরও চার জায়গায় ছিনতাই করেছে। কল করে আমাদের কাছে অভিযোগ করেছে ভোক্তভোগীরা। এটি হচ্ছে পাচ নাম্বার ঘটনা।

আসিফের রক্তক্ষরণ বেড়ে যাওয়াই জিডি না করে রাজধানীর একটি মেডিকেলে চিকিৎসা নেয়। অতপর সকলে গ্রামের বাড়ি চলে যায়।