বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ●
Logo
বিদ্যাপীঠ

জাবির সাংবাদিকতা বিভাগে বার্ষিক ইফতার অনুষ্ঠিত

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২২, ১২:৪২ পিএম
কপি হয়েছে!

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের আয়োজনে বার্ষিক ইফতার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সংযম বয়ে আনুক সম্প্রীতির বার্তা এই স্লোগানকে ধারণ করে সোমবার (১১ এপ্রিল) বিভাগের শ্রেণিকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

ইফতারের পূর্বে বিভাগের প্রয়াত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী তামিম দাড়ি সৌমিক। এসময় বিভাগের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীর জন্য দোয়া করা হয়।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক রাকিব আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার মন্ডল, সহকারী অধ্যাপক সালমা আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া শিফাত, প্রভাষক মৃধা মো. শিবলী নোমান, সালমা সাবিহা (প্রভাষক), শবনম ফেরদৌসী (প্রভাষক), নওশীন জাহান ইতি (প্রভাষক) প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় সভাপতি রাকিব আহমেদ বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করবে এই অনুষ্ঠান। এটি একটি বিভাগের মিলন মেলাও বটে। এখানে বিভাগের প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীরা রয়েছে। তাদের মাঝে একটা ভ্রাতৃত্বসুলভ সম্পর্ক গড়ে উঠতে সাহায্য করবে আজকের প্রোগ্রাম। তাছাড়া আজকের এই ইফতার অনুষ্ঠানের কাজ গুলোতে সবাই অংশগ্রহণ করেছে, শ্রেণী কক্ষ পরিস্কার করেছে এটাও শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার একটা অংশ।

ইফতার অনুষ্ঠানের অনুভূতি ব্যক্ত করে বিভাগের ৪৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী গোলাম আজম (আয়াত) বলেন, বিভাগের সবার সাথে এক ছাদের নিচে বসে খাওয়ার অনুভূতিটাই অন্যরকম। আর সেটা যদি হয় ইফতারের মত একটা সম্প্রীতির বিষয় তাহলে তো অনেক ভালো লাগা কাজ করে। আমরা চাই পরবর্তীতেও এমন ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক প্রোগ্রামগুলো বিভাগে অনুষ্ঠিত হোক। যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সবার অংশগ্রহণ থাকবে।