শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ●
Logo
বিদ্যাপীঠ

মানসম্মত খাবারের সংকটে ভুগছে নিটারের শিক্ষার্থীরা

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২২, ০২:৩৭ পিএম
কপি হয়েছে!

মানে ভালো দামে কম এরকম কথাই শোনা যাচ্ছিল নিটার ক্যান্টিনের খাবার সম্পর্কে।কিন্তু বাস্তব চিত্র হচ্ছে মানে কম দামে বেশি নিটারের ক্যান্টিনের খাবারের মান। আর এই নিয়েই দিন পাড়ি দিচ্ছে সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ এর শিক্ষার্থীরা।

কথায় আছে,”যদি থাকে পেটে, সয়ে যায় পিঠে”। মানুষের মৌলিক চাহিদা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো খাবারের চাহিদা। শুধু খাবার হলেই হবে না মানসম্মত খাবার হতে হবে। শিক্ষার্থী যদি ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ না করতে পারেন, তাহলে তারা সুস্থ থাকা বা পড়াশুনায় মনোযোগ দেওয়া কী সম্ভব?

খাবারের মান এর পাশাপাশি রয়েছে খাবারের অপর্যাপ্ততা, ঠিক সময় খাবার না পাওয়া, রেগুলার একই আইটেম এর খাবার, সুপেয় পানির অভাব। ক্যান্টিনে জায়গা স্বল্পতাও একটা বিশাল সমস্যার সম্মুখীন করছে স্টুডেন্টদের। ক্যাম্পাস খোলা থাকলেও রেগুলার খোলা হচ্ছে না ক্যান্টিন,ক্যান্টিনের মামাদের আচরণ নিয়েও রয়েছে শিক্ষার্থীদের ক্ষোপ।

মানসম্মত খাবার প্রতিটা মানুষের অধিকার।নিটারের প্রতিটা শিক্ষার্থীর জন্য কম মূল্যে এই চাহিদা পূরণ করা প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম দায়িত্ব। হলের ক্যান্টিনগুলো ইজারা দেওয়া মাধ্যমে পরিচালিত হয়। নিয়ম হলো, শিক্ষার্থীদের জন্য একটা নির্দিষ্ট বাজেট সুলভ দাম নির্ধারন করে দেওয়া। কিন্তু সেটা করা হচ্ছে না,যার ফলে ইজারাদার রা ছুটছে মুনাফার পিছনে।

শিক্ষার্থীদের দাবী, কর্তৃপক্ষ যেন একটা কমিটি গঠন করে খাবারের সকল সমস্যার সত্যতা যাচাই করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে।এর ফলে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত খাবারের ভোগান্তী কিছুটা হলেও কমবে।