বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ●
Logo
ক্যানভাস

একান্ত আলাপচারিতায় আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২২, ০৭:১১ পিএম
কপি হয়েছে!

বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যস্ততম উদ্যোক্তা আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের। দাপটের সাথে কাজ করে চলেছে তার তৈরি প্রতিষ্ঠান ক্রিপটো সোর্সিং লিমিটেড। উদ্যোক্তা হিসেবে যেমন সফল ঠিক তেমনি সফলতা পাচ্ছেন কবিতা লিখেও। ইতিমধ্যে তার লেখা কবিতার বই অসংখ্য পাঠকের হৃদয় জয় করেছেন। সময়ের অন্যতম এই সফল ব্যক্তিত্বের সাথে আড্ডা নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন।

কেমন আছেন?
খুব ভালো আছি। আমি আসলে ভালো থাকার দলে। জীবনে যত দুঃখ কষ্টই আসুক না কেন। আমি জানি দিনশেষে ভালো সময় আসবেই।

জীবন কেমন?
এক কথায় বলতে গেলে বলব সুন্দর। হ্যা এই সুন্দরের অংশ হিসেবে অনেক রকম উথান পতনের ব্যাপার থাকে। কখনো ভেঙে পড়া। কখনো আবার উঠে দাঁড়ানো। সবকিছু নিয়েই তো আসলে জীবন। তবে হাজার কিছুর পরেও যারা ঘুরে দাঁড়ানোর মন মানসিকতা রাখে তাদের কাছে জীবন সুন্দর।

জীবনের সাথে প্রেম ভালোবাসা মিশে আছে গভীরভাবে। আব্দুল্লাহ আল জোবায়েরের জীবনে প্রেম কয়বার এসেছে?
অসংখ্যবার। বহুবার এসেছে। প্রেম বলতে আসলে যা বোঝায় তার বাইরে ভাবতে আমি পছন্দ করি। আমি যখন প্রতিটা কবিতা লিখি সেই কবিতার বিষয় বস্তুর উপর প্রেমে পড়ি। আমি যখন নতুন কাজে নামি। তখন আমার সবকিছু সেই কাজের কেন্দ্রবিন্দুকে ঘিরে তৈরি হয়। আমি যখন আমার পরিবারের সাথে সময় কাটাই সেই সময়ের প্রতি আমার গাড় ভালোবাসা তৈরি হয়। সুতরাং উদ্যোক্তা নয় কবি হিসেবে বললে বলব আমি অসংখ্যবার প্রেমে পড়েছি, পড়ছি এবং পড়ব।

জীবনে কঠিন সময় আসলে কি করেন?
ছোট একটা গল্প বলি। আমি জীবনে এক সময় চাকরি করতাম। সেখান থেকে আমি অনেক কিছুই শিখেছি। কথা হল যখন আমি নিজে বিজনেস শুরু করলাম তখন অনেক বিষয় অনেক বেশী কঠিন হয়ে আমার এখানে আসলো। যেমন করোনাকালীন সময়। এই সময়ে আমার অর্ডার বাতিল হয়ে যাচ্ছিল। ক্লাইন্ট থাকবে নাকি চলে যাবে এইসব ভাবতে ভাবতেই দিন পার হচ্ছিল। তবুও আমি প্রতিদিন অফিস করতাম। কেউ না আসলেও আমি নিজেই অফিসে এসে বসে থাকতাম। কাজের প্রতি আসলে মমতা থাকাটা জরুরী। কাজের প্রতি মমতা থাকলে যে কোন কঠিন সময়ই পার করে ফেলা সম্ভব।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি করছেন?
উদ্যোক্তা হিসেবে যেহেতু কাজ করছি। চাই অনেক অনেক মানুষের কর্মসংস্থান করে দিতে। আর লেখালেখি চালিয়ে যেতে চাই। লেখালেখির মাঝে ডুবে থাকতে আমার ভালো লাগে।