২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেনু
সংবাদ পাঠান
© 2026 জাগো বুলেটিন
শিরোনাম

জিয়া ছিলেন ছদ্মবেশী মুক্তিযুদ্ধের নামে পাকিস্তানি এজেন্ট – হানিফ

জাগো ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ আগস্ট ২০২৩

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, জিয়া (জিয়াউর রহমান) ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ছদ্মবেশ ধারী পাকিস্তানের এজেন্ট। তিনি যে পাকিস্তানের এজেন্ট ছিলো তা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে তার কর্মকান্ডে প্রকাশ পেয়েছে।

বুধবার (২৩ আগস্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে  ‘বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ : স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু কণ্যার অঙ্গীকার’ শীর্ষক শিরোনাম আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “খুনি জিয়া ক্ষমতা গ্রহনের পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, রাজাকারদের স্থান দিয়েছিলো মন্ত্রীসভায়। শুধু তাই নয় বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার আইন করে বন্ধ করার অপচেষ্টা জিয়াউর রহমান করেছে। এতে কি প্রমান হয় না জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড ছিলো? আজকে অনেকেই তাকে খুনি বলে আখ্যায়িত করতে দ্বিধাবোধ করেন। কিন্তু ইতিহাস তো পরিষ্কার যে তিনিই ছিরেন বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত খুনি ছিলেন।”

এমপি আরও বলেন, “একজন শিক্ষক যে কতটা মিথ্যাবাদী হতে পারে মির্জা ফখরুলকে না দেখলে বুঝতাম না। ফখরুল শিক্ষক মানুষ কিন্তু তিনি যে ২১ শে আগস্ট নিয়ে চরম মিথ্যাচার এটা মূর্খতা ছাড়া আর কিছু না। শিক্ষকতা একটি মহৎ পেশা কিন্তু সেই পেশাকে ফখরুল মিথ্যাচারের রূপ দান করতে চাচ্ছে। তার এ মিথ্যাচারে কোন লাভ হবে না। কারন, ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার চার্জশিটে তাদের নেতাদের নামই আসছে। সে চার্জশিট তো আওয়ামী সরকার দেয় নি। তাদের নেতাদের জবানবন্দির আলোকেই চার্জশিট দেওয়া হয়।”

বিশেষ অতিথি বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক কামাল উদ্দীন আহমেদ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ২৫ শে মার্চ নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছে তার সমালোচনা করে বলেন, “এই নেতৃত্ব যদি বাংলাদেশে আসে তাহলে দেশের যে কি অবস্থা হবে তা আমরা বুঝতেই পারছি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীলদল একত্রিত হয়ে কাজ করলে কোন বিরোধী শক্তি মাথাচারা দিয়ে উঠতে পারবে না। যদি কোনভাবে বিরোধী শক্তি সাদাদল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তাহলে আমাদের টিকে থাকতে হুমকিস্বরূপ হয়ে দাড়াবে।”

অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসেবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, “আমাদের দেশকে নিয়ে পিছিয়ে নিতে নানান সময়ে ষড়যন্ত্র চলছেই। পাকিস্তানের পক্ষে যা ছিলো তারা এখনো রাজনীতির বিভিন্ন অঙ্গনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আগামী নির্বাচনকে নিয়ে তারা নানান ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। এ ষড়যন্ত্রের মাত্রা সামনের দিনগুলোতে আরও বেড়ে যাবে সেজন্য আমাদের সচেতন থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে নীলদলের সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আবদুল্লাহ এর সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে ছিলেন নীলদলের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া ও অধ্যাপক ড. আশরাফ উল-আলম। এছাড়াও প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেফ্তাহুল হাসান।

ফটো কার্ড প্রিভিউ
বুধবার, ২৩ আগস্ট ২০২৩

জিয়া ছিলেন ছদ্মবেশী মুক্তিযুদ্ধের নামে পাকিস্তানি এজেন্ট – হানিফ

লিংক কপি হয়েছে!