২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেনু
সংবাদ পাঠান
© 2026 জাগো বুলেটিন
শিরোনাম

সেনা বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার প্রভিশনাল ফান্ডের টাকা আত্নসাত  করার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ  

জাগো ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৩
নজরুল ইসলাম জুয়েল, ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহ নগরীর সিটি কর্পোরেশন ২৯ নং ওয়ার্ডে গনগন্দা এলাকার বাসিন্দা সেনা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবদুল মোতালিব পিতা মোঃ নেওয়াজ আলী। যার ব্যাক্তিগত নং – ৩৯৪৫১৭৪ সিপাহী সেক্টর ১১ নং যুদ্ধ করে। বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সেনাবাহিনী গেজেট প্রকাশিত লিষ্টটেট গেজেটের পৃষ্ঠা ও ২২১৩, ২৫ এপ্রিল ২০০৫ সাল যার গেজেট নং ৩২৬২। ভিত্তি বিশেষ বাংলাদেশ আর্মি অর্ডার এসবিএও ১৩ এপ্রিল ২০০৩ এর ক্রমিক নং – ২১৫৬।
এখন প্রভিশনাল ফার্ন্ডের টাকা একটা পক্ষ নিয়ে যাওয়া পাই তারা করছে  বলে অভিযোগ করে আবদুল মোতালিব স্ত্রী মোছাঃ শিরিনা খাতুন। বিষয়ে  সরজমিনে গেলে  প্রতিবেদককে স্ত্রী মোছাঃ শিরিনা খাতুন বলেন, স্থানীয়ভাবে  আমাকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিল রফিকুল ইসলাম রফিক  ও বিএনপির নেতা শফিউদ্দিন রবি যোগ সাধসে  প্রথম স্ত্রীর কন্যা মোছাঃ রহিমা খাতুন আমাকে বিভিন্ন সময় হুমকি ও জুর পূর্বক আমাকে স্বাক্ষর করতে বলে। সেই সাথে আমি গরিম মানুষ অন্যদের কাছ থেকে হাত যা পাই দিয়ে কোন রকম চলছি। এখন অবস্থা আমার স্বামী সেনা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রভিশনাল ফান্ডের টাকাগুলো সঠিক ভাবে দুই পক্ষকে সমান ভাবে দেওয়া হতো তাহলে শেষ বয়সে আমি সুন্দর ভাবে চলে ফিরে মরতে পারতাম।
আবদুল মোতালিব মেয়ে সাজেদা বেগম বলেন, আমার বাবার আগের স্ত্রী  কন্যা আমার বোন রহিমা চাই আমাদের মাকে না দিয়ে একাই সকল টাকা নিয়ে নিতে। আমরা চাই সেও আমার বোন তাই আমরা দুই পক্ষকে সমান ভাবে ভাগ করে দিলে ভালো হয়৷ আমার মা খুব কষ্ট করে চলে এটা পেলে মা শেষ বয়সে এটকু শান্তিতে চলতে পারবে।
প্রতিবেশী রাশিদা জানান, যে রাহিমা এই টাকা নিয়ে জামেলা করছে। তার মা রাহিমাকে রেখে অন্য আরেক স্থানে বিয়া করে। আর এখন বিভিন্ন অফিসে বলা বলি করছে মোতালিব স্ত্রী শিরিন আক্তার তার স্ত্রী না। কিন্তু আমি জানি দুইজন তার স্ত্রী তাই আমরা চাই সুন্দর করে দুইজনে যা পাই তা সঠিক ভাবে বন্ঠন করে নেই যেন এটাই আমাদের প্রতিবেশীদের চাওয়া।
আবদুল মোতালিব চাচাতো ভাই  আব্দুল হাই  বলেন,মোতালিব দুইটা বিয়া করে ছিল প্রথম স্ত্রী মোতাবেকে ছেড়ে গফরগাঁও  আরেকজনের সাথে বিয়া করে সংসার করে। আর অন্য দিকে শিরিনা খাতুন তিন মেয়ে ও এক ছেলে আছে সেই মোতাবেক সাথে ছিল। এখন আমরা আপনার মাধ্যামে বলতে চাই যে দুই পক্ষকে সমান ভাবে পাই ব্যবস্থা যদি সরকার করে দেই তাহলে ভালো হতো। আর যদি এক পক্ষ জুর করে নিয়ে যেতে চাই তাহলে এটার সঠিক করা জন্য দাবি জানাচ্ছি।
এ দিকে নাম প্রকাশ না শর্তে একজন বলে,  আমরা জানি রাহিমার মা অন্য আরেকজনে সংসার করছে ওই খানে সন্তান আছে এখন কোন হিসেবে এখানে দাবি করে মোতালিব স্ত্রী হিসেবে। তারপরে সরকারে কাছে অনুরোধ করবো যে কোন পক্ষ যেন  ফান্ডের টাকা থেকে বাদ যেন না পরে। তারেকটি কথা এখানে স্থানীয় কাউন্সিল রফিকুল ইসলাম ও বিএনপি নেতা শফিউদ্দিন রবি যোগসাজশে রাহিমা একাই এটা নিতে চাই টাকাগুলো। রাহিমা যদি একা নিতে চাই এটা সঠিক বিচার করবে প্রশাসন। শিরিনা খাতুন অসহায় মহিলা মানুষ কাছ থেকে হাত পেতে যা পাই দিয়ে সংসার চলছে। তাই আমরা অসহায় মহিলা শেষ বয়সে কিছু টাকা পেলে চলতে পারতো

ফটো কার্ড প্রিভিউ
বুধবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৩

সেনা বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার প্রভিশনাল ফান্ডের টাকা আত্নসাত  করার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ  

লিংক কপি হয়েছে!