এবারের বন্যায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, নেত্রকোনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি আরো বেশ কিছু জেলার বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হয়েছে। এসব জনপদের মানুষজন মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
বানভাসি অনেকেই ঘরবাড়ি, খাদ্যশস্য সহ হারিয়েছেন অনেক কিছু। কারো কারো গৃহপালিত পশুও ভেসে গেছে বানের জলে। যাদের গৃহপালিত পশু আছে তাদের ভোগান্তিও কম নয়। নিজেদের খাবার সংগ্রহ করতেই ত্রাণদাতাদের আসার অপেক্ষায় দিন কাটে যখন তখন গৃহপালিত পশুর জন্য খাবার সংগ্রহের বিষয় দুর্ভাবনীয়।
ব্যক্তিক্রম উদ্যোগ নিয়েছে বন্দি পাঠশালা। তারা ইতোমধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জে তেরো হাজার পরিবারে ত্রাণ সহায়তা করেছে। গতকাল বুধবার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের সময় তাদের টিমে ছিল ভেটেরিনারি চিকিৎসক সিজার। গোখাদ্য সহ গৃহপালিত পশুর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীও সঙ্গে নেন এবং বিতরণ করেন তারা।
বন্দি পাঠশালার সিওও মো. জাহাঙ্গীর আলম শুভ বলেন, বন্যায় শুধু মানুষ নয়, গরু-ছাগলসহ অন্য প্রাণীরাও কষ্টে আছে। তিনি অন্যান্যদের অনুরোধ করে বলেন, যারা ত্রাণ বিতরণ করছেন, সম্ভব হলে গবাধি পশুর জন্য প্রয়োজনীয় ঔষধ নিয়ে যাবার চেষ্টা করবেন।
বন্দি পাঠশালা টিম ইতোমধ্যে আরেকটি ব্যতিক্রমী কার্যক্রম চালাচ্ছে। ত্রাণ সামগ্রীতে বন্যার্ত এলাকার মা-বোনদের জন্য সেনিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করেছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি নজরে আসলে ত্রাণদাতা অন্যান্য টিমও এই কাজে উৎসাহী হয়েছে।
