দাগনভূঞা উপজেলায় অবৈধভাবে সংযোগ নিয়ে গ্যাস জ্বালানোর ঘটনায় ৪টি মামলা হয়েছে। সংযোগের বিনিময়ে মোটা অংকের টাকা নেয়ায় মহিউদ্দিন দিদার নামে এক ব্যক্তিকে সবকটি মামলায় আসামী করা হয়েছে। দিদার মামলায় কথিত বাখরাবাদ গ্যাস আওয়ামী ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
থানা ও বাখরাবাদ সূত্র জানায়, উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের বারাহিগুনী এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের ঘটনায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেন বাখরাবাদ গ্যাসের ফেনী এরিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) প্রকৌশলী বাপ্পী শাহরিয়ার। মামলায় ব্যবহারকারী পরিবারের সদস্য ও দালাল চক্রকে আসামী করা হয়। এছাড়া গ্যাস ব্যবহারকারী আবদুল কুদ্দুসের ছেলে জাফর আহমেদ, ইসমাইলের ছেলে মহিউদ্দিন, কামাল উদ্দিন, মাইন উদ্দিনের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম, দুলাল মিয়ার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, রব্বানীর ছেলে শাহআলম, সালাম উদ্দিনের ছেলে বশর, রফিক উদ্দিনের ছেলে মাঈন উদ্দিন, মো: খোকন, আবদুল জাবেদের ছেলে জাফর আহমেদ, সলিম উদ্দিনের ছেলে জিয়াউদ্দিন, সাহাব উদ্দিন, টুকু মিয়ার ছেলে কামাল উদ্দিন, মেয়ে রৌশন আরা আসামী রয়েছেন।
দাগনভূঞা থানার ওসি হাসান ইমাম অবৈধ গ্যাস সংযোগের ঘটনায় মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।
এর আগে জেলাব্যাপী অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা বাণিজ্য করায় বাখরাবাদ কর্তৃপক্ষ তার ঠিকাদারি লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা করেন। এরপর অফিসের সামনে বাখরাবাদ গ্যাস আওয়ামী ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির নামে কার্যালয় খুলে নামস্বর্বস্ব ওই সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বাখরাবাদে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হলে ২০১৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর র্যাবের অভিযানে একটি ওয়ান শূটার গান, দুই রাউন্ড গুলি, ৬টি চোরা ও দুই বোতল বিদেশী মদ সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় র্যাবের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
