দেশের প্রচলিত আইনে নয় কাশেমী আইনে চলে দাগনভূঞা আশ্রাফুল উলুম মাদ্রাসা।
মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাতে ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে প্রহারের ঘটনায় বক্তব্য জানতে চাইলে এমন মন্তব্য করেন মাদ্রাসার প্রধান ইউসুফ কাশেমী।
জানা যায়, গত সোমবার ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাজ্জাদ হোসেনকে বেধড়ক মারধর করে হেফজ্ বিভাগের শিক্ষক আব্দুল হামেদ (ফেনী হুজুর)।
শিক্ষকের প্রচন্ড বেত্রাঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হয় ওই শিক্ষার্থী। মারধরের ঘটনা শিক্ষার্থী তার পরিবারকে জানায়।
তার বাবা প্রবাসে থাকায় তার মামা সারোয়ার মাদ্রাসায় এসে মারধরের বিষয়টি মাদ্রাসার প্রধান ইউসুফ কাসেমীকে জানালে তিনি গোপনে সাবেক এক কমিশনারকে নিয়ে ওই শিক্ষকের ১৫ দিনের বেতন কর্তন করা হয়েছে মর্মে আপোষ মীমাংসা করেন।
এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানান শিক্ষার্থীর পিতা মহিন উদ্দীন। তিনি বলেন আমার ছেলের মাথা থে পা পর্যন্ত প্রতিটি স্থানে বেতের আঘাত রয়েছে। হুজুরের বেত্রাঘাতে আমার ছেলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে তারপরও হুজুর তাকে মারতে থাকে। আমি এ ঘটনায় হুজুরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
জানা যায়, অত্র মাদ্রাসায় ইউসুফ কাশেমীর কথাই শেষ কথা। তার কথাই আইন। তার নিয়মেই চলবে মাদ্রাসা। শিক্ষার্থীদের বেত্রাঘাত করার নিয়ম এ মাদ্রাসার আইন। ইউসুফ কাশেমীর কথার বাহিরে কোন শিক্ষক বা ছাত্র চলতে পারেনা অত্র মাদ্রাসায়। কোন শিক্ষার্থীকে মারধর করলেও সে প্রতিবাদ করতে পারবেনা। এক কথায় কাশেমী আইনেই চলে দাগনভূঞা আশ্রাফুল উলুম মাদ্রাসা।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ইউসুফ কাসেমী মোবাইলে কোন মন্তব্য করবেন না বলে জানান।
