২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেনু
সংবাদ পাঠান
© 2026 জাগো বুলেটিন
শিরোনাম

ভূয়া কাবিন দেখিয়ে ধর্ষণ প্রতিবন্ধী নারীর সাথে প্রতারণা-থানায় অভিযোগ।

জাগো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ০১ আগস্ট ২০২২

ভুয়া কাবিন দেখিয়ে ধর্ষণ এনজিওর ঋণ নিয়ে প্রতিবন্ধী নারীর সাথে প্রতারণা থানায় অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া থানাধীন আবুবকর সিদ্দিক এর ছেলে রেজাউল করিম(৩৩) এর বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৮ মাস আগে থেকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা রুহিয়া থানার মধুপুর গ্রামের রেজাউল করিম মাধবপুর ( মোলানী) গ্রামের মৃতঃ আব্দুল খালেক এর প্রতিবন্ধী মেয়ে মোছঃ রীনা আক্তার(৩১) এর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হওয়ায় এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে অভিযুক্ত রেজাউল করিমকে আটক করি ও তাদেরর সম্পর্কের কথা জানতে চাই। পরে একখানা কাবিন দেখিয়ে বলে আমরা বিবাহ করেছি। এভাবে উভয় দীর্ঘ দিন ঘর সংসার করে আসিতেছিল কিছু দিন আগে তারা উভয়ের ছবি সংযুক্ত করে আশা এনজিও থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নেয়। ঋণের টাকা পরিশোধ না করে রেজাউল করিম প্রতিবন্ধী নারীর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি যে, প্রতিবন্ধী রীনা আক্তারের সাথে ভূয়া কাবিননামা ও ঋনের ৪০ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করে।

এবং অভিযুক্ত রেজাউল করিম এলাকার একজন লম্পট সভাব চরিত্রে ছেলে ইতিমধ্যে সে আরও চারটি বিয়ে করে একই ভাবে প্রতারণা করেছে।

ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী নারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রেজাউল এর সাথে দের বছর আগে আমার বিয়ে হয় এবং ৬/৭ মাস আমার বাবার বাড়িতে ঘর সংসার করি একদিন আমাকে বলে আমরা ঋন নিয়ে ঘর মেরামত করি তার কথা মত আমি আশা এনজিও থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নেই পরে সেই ঋণের সব টাকা আমার কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় আর আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে। কিছু দিন পরে আমার শশুর বাড়ি গেলে আমার শশুর আমাকে বলে তোমাকে আমার ছেলে বিয়ে করিনি। বিয়েও যদি করে থাকে তাহলে আমরা জানি না। এমতাবস্থায় আমার স্বামীকে জিজ্ঞেস করলে সেও আমার স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করে এবং বলে তুমি যদি আমাকে স্বামী হিসেবে চাও তাহলে যৌতুকের টাকা নিয়ে আসো। পরে আমি আমার শশুর বাড়ি থেকে কান্না করতে করতে ফিরে আসি এবং জানতে পারি আমার স্বামী এর আগেও চারটি বিয়ে করে একই ভাবে টাকা পয়সা নিয়ে ধোঁকা দিয়েছে আমি এই লম্পট ও ধোঁকাবাজ স্বামীর বিচার চাই এবং থানায় একটি অভিযোগ করি।

অভিযুক্ত রেজাউল করিমের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ( নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক)এর কাছে জানা যায়, রেজাউল করিম প্রতি রাতে প্রতিবন্ধী নারী রিনা কাছে যাতায়াত করত রাতে যেতো আর ভোর বেলা চলতে আসতো কিন্তু একদিন এলাকাবাশীর হাতে সন্দেহ জনক ধরা পরলে ও এলাকাবাসী জানতে চাইলে তাদের সম্পর্কের কথা তখন রেজাউল করিম বলেন আমরা বিয়ে করছি আমাদের কাবীন নামাও রয়েছে। পরে কাবীননামা দেখতে চাইলে সময় চেয়ে কিছু দিন পরে দেখাবে বলে এলাকাবাসীদের বলে পরে সেই জীবন বাচানোর জন্য কম্পিউটার থেকে একটি ভূয়া কাবীননামা তৈরী করে এলাকাবাসীকে দেখান।

রেজাউল করিম আমাদের বন্ধু আমরা জানি যে রিনার কাছ থেকে প্রথমে ৩০ হাজার ও পরে ঋনের ৪০ হাজার টাকা নেই। আসলে রেজাউল করিম একইভাবে এর আগেও তিন তিনটি মেয়ের সাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করছে।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে সে এরিয়ে যায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শাজাহান আলী বলেন, এলাকার প্রতিবন্ধী নারী রীনা আক্তার আমার কাছে অভিযোগ করলে, এবং আমি সেটা যাচাই করে দেখি আসলেই ভূয়া কাবিন দেখিয়ে রীনার সাথে ঘর সংসার করছিল। আর এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে স্বামী তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন তারপর আমি থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেই।

অভিযোগের বিষয় সত্যতা নিশ্চিত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগামী ৬ আগস্ট শনিবার এ বিষয় থানায় বসার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে সেই দিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ফটো কার্ড প্রিভিউ
সোমবার, ০১ আগস্ট ২০২২

ভূয়া কাবিন দেখিয়ে ধর্ষণ প্রতিবন্ধী নারীর সাথে প্রতারণা-থানায় অভিযোগ।

লিংক কপি হয়েছে!