খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গায় শ্বাসরোধ করে হোসেন আলী নামের এক ব্যক্তির হত্যার রহস্য উদঘাটন করলেন পুলিশ।
রবিবার (১৪ আগস্ট) দুপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে করে।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন পুলিশ সুপার আবদুল আজিজ।
পুলিশ সুপার জানান, মেয়েকে নির্যাতনের ঘটনায় জামাই কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দেন ভিকটিম হোসেন আলী। এতে কিছুদিন কারাগারে ছিল আসামী। এ ঘটনায় সংক্ষুব্ধ হয়ে এবং স্থানীয়ভাবে শ্বশুরের প্রতিবেশীদের বিরোধকে পুঁজি করে গত বৃহস্পতিবার (১০ আগষ্ট) রাতে খাবারের সাথে অচেতন হওয়ার ঔষধ মিশিয়ে দিয়ে শ্বাসরোধ করে হোসেন আলীকে খুন করা হয়। পরে অন্য সহযোগীদের নিয়ে বাড়ির পাশের সেফটিক ট্যাঙ্কে লাশ গোপন করা হয়।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, স্থানীয় কয়েক জনের সাথে বিরোধ ছিল ভিকটিম হোসেন আলীর। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের সহযোগিতা নিয়ে পরিকল্পনা ও হত্যাকাণ্ড করা হয়।
গত শনিবার (১৩ আগস্ট) নিহতের বড় ছেলে মো: ইউনুস বাদী হয়ে মামলা করার পর ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মেয়ের স্বামী কামরুল ইসলাম আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন বলে জানান পুলিশ সুপার।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার সকালে মাটিরাঙ্গার তবলছড়ি এলাকার নিজ বাড়ির পাশে সেফটিক ট্যাঙ্ক থেকে নিহত হোসেন আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজনভাবে মেয়ের জামাই কামরুল ইসলামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে ঘটনার রহস্য।
