১ সেপ্টেম্বর ২০২২ হতে ওএমএস ও টিসিবি কার্যক্রম সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির শুরু
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা ৩০ নভেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত চলমান থাকবে। ময়মনসিংহ জেলার ১৪৫টি ইউনিয়নে মোট ২৯৮০৪৮ জন উপকারভোগীর মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি হারে প্রায় ৮৯৪২ মে.টন চাল বিতরণ করা হবে।
ইতোমধ্যে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ভোক্তাদের ডিজিটাল ডাটাবেজে ভোক্তা তথা উপকারভোগীদের তথ্য আপলোড করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক উক্ত ডাটাবেজে যাচাইকৃত যেসকল উপকারভোগীর তথ্য সঠিক পাওয়া যাবে তারা চাল ক্রয় করতে পারবেন এবং মেসকল উপকারভোগীর তথ্য ভুল পাওয়া গেছে ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বাদ পড়েছেন তারা চাল ক্রয় করতে পারবেন না। এছাড়া ডিজিটাল ডাটাবেজে আপলোডকৃত যেসকল উপকারভোগীর তথ্য এখনও যাচাই করা সম্ভব হয়নি, তারা যাচাই সাপেক্ষে চাল ক্রয় করতে পারবেন।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জনসাধারণকে মূল্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে এবং চাল ও আটার বাজার মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার নিমিত্ত ১ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখ হতে দেশব্যাপী ওএমএস কার্যক্রম সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ইতঃপূর্বে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে মঞ্জুরিকৃত ১৭টি দোকানে দৈনিক ১ মে. টন করে ১৭ মে. টন চাল এবং দোকান প্রতি দৈনিক ৫০০ কেজি করে ৮.৫০০ মে.টন আটা বিক্রয় করা হচ্ছিল। ওএমএস কার্যক্রম সাম্প্রসারণের ফলে আজ হতে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে ১৭টি দোকানের প্রতিটিতে দৈনিক ০২ মে.টন করে মোট ৩৪ মে.টন চাল ও ৫০০ কেজি করে মোট ৮.৫০০ মে. টন আটা বিক্রয় করতে পারবেন। এছাড়া ময়নসিংহ সিটি কর্পোরেশনে এটি ট্রাকের মাধ্যমে প্রতিটিতে দৈনিক ২ মে. টন করে মোট ১৪ মে.টন চাল বিক্রয় করতে পারবেন। ময়মনসিংহ জেলা সদর বহির্ভূত ২টি উপজেলা ও ১০টি পৌরসভায় ৪২টি দোকানে দৈনিক ২ মে.টন করে মোট ৮৪ মে.টন চাল বিক্রয় করতে পারবেন।
সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন যে, টিসিবি কার্ডধারীগণ ওএমএস এর ন্যায় ন্যায্য মূল্যে মাসে ১০ কেজি চাল পাবেন। এ প্রেক্ষিতে ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখ হতে পরিচালিত ওএমএস কার্যক্রমে টিসিবি’র কার্ডধারীগণকে প্রতি পাক্ষিকে ০৫ কেজি করে মাসে দুই বারে ১০ কেজি চাল দেওয়া হবে। টিসিবি’র কার্ডধারীগণকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাল প্রদান করা হবে এবং তাদের জন্য ওএমএস কার্যক্রমে পৃথক লাইনের ব্যবস্থা করা হবে। সাধারণ ক্রেতাগণ জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিয়ে এবং টিসিবি’র কার্ডধারীগণ কার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে চাল ক্রয় করতে পারবেন।
