২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেনু
সংবাদ পাঠান
© 2026 জাগো বুলেটিন
শিরোনাম

ডিমলায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

জাগো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় ২৫ বছর বয়সি দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে আব্দার রহমান (৪০) নামের জলঢাকা চাওড়াডাঙ্গী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল(কারিগরীক) শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

শনিবার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূর স্বামী আব্দুল জলিল (৩০) বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই চাওড়াডাঙ্গী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শিক্ষককে আসামি করে ডিমলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান।

শুক্রবার (২৮শে অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার নাউতারা ইউনিয়ন পূর্ব সাতজান ৭ নং ওয়ার্ডের (মাঝি পাড়া) গ্রামে নেক্কারজনক এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত জলঢাকা চাওড়াডাঙ্গী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল/কম্পিউটার শিক্ষক আব্দার রহমান একই এলাকার আবুল হোসেনের পুত্র ও দুই সন্তানের জনক।

অভিযোগ ও ভূক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পূর্ব সাতজান(মাঝি পাড়া) গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের ওই গৃহবধূর প্রতি বেশ কিছুদিন আগে থেকেই কু-নজর পরে একই গ্রামের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক আব্দার রহমানের। তিনি ওই গৃহবধূকে একা পেলেই কুপ্রস্তাবসহ নানাভাবে যৌন নিপিড়ন চালিয়ে আসছিলেন। এবং সময়ে অসময়ে প্রতিদিন একাধিকবার মোবাইল ফোনে অশ্লীল কথাবার্তা বলেও বিরক্ত করতেন। প্রতিদিন মোবাইলে এবং পার্শ্ববর্তী বাড়ি হওয়ায় বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে অব্যাহত  যৌননিপীড়নের ফলে এখন মানসিক রোগীতে পরিণত  হয়েছে ভুক্তভোগী গৃহবধূ। বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃমোঃ নূর ইসলামের অধীনে চিকিৎসাধীন। এরপরও ওই গৃহবধূ তার এসব কুপ্রস্তাবে রাজি হননি। এতে তিনি ওই গৃহবধূর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। এ অবস্থায় শুক্রবার রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর ওই গৃহবধূ ছোট দুই সন্তানকে নিয়ে বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১১ টার পর দরজা ফাঁক করে লম্পট আব্দার রহমান ঘরে প্রবেশ করে দুই সন্তানের জননীকে জাপটে ধরে। ধারালো অস্ত্রে হত্যার ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় গৃহবধূর ডাক-চিৎকার শুনে তার স্বামীসহ বাড়ির লোকজন টর্চ লাইট নিয়ে এগিয়ে আসতে দেখে ওই লম্পট সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় তার ব্যবহৃত স্যামসাং মোবাইল ফোনটি রেখে চলে যায়। লম্পট আব্দার রহমান ভুক্তভোগী অসহায় গরীব পরিবারটিকে মামলা না করার জন্য অব্যাহত হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে।

এলাকাবাসি রেজাউল ইসলাম (৪০),  মেহেরুল ইসলাম (২৩), খাইরুল আলম (৩০) অভিযোগ করে বলেন, একজন শিক্ষকের চরিত্র যদি এমন হয় তাহলে আমাদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাবো কি করে? ঘরে তার বিবাহিত স্ত্রী রয়েছে এরপরও তার চরিত্রের পরিবর্তন হলো না! তাহলে কি তার দ্বারা অন্য কেউ নিরাপদ? এই লম্পট শিক্ষকের শিক্ষকতা করার কোন নৈতিকতা আর নেই। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনার বিচার চেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে ।

এ ব্যাপার ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) লাইছুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ এখনো থানায় অভিযোগ দাখিল করেনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফটো কার্ড প্রিভিউ
শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২

ডিমলায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

লিংক কপি হয়েছে!