কাদিয়ানীদের কাফের ঘোষনা ও তাদের তিন দিন ব্যাপী জলসা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে তৌহিদী জনতা। পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের উপর তারা ত্রিমুখী হামলা চালায়।
শুক্রবার সকাল থেকেই পঞ্চগড় শহরের বিভিন্ন সড়ক দখল করে নেয় পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার সদস্যরা। পুলিশ সুপার এস এম শফিকুল ইসলাম, পুলিশের রংপুর রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি রশিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে শেষ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করেন। দুপুর ২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত চলছে এ সংঘর্ষ।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের শেরেবাংলা পার্কের সামনে এসে জরো হয়। পরে পুলিশ তাদের বাধা দিলে পুলিশের সাথে তৌহিদী জনতার সংঘর্ষ বাধে। এসময় পুলিশসহ ৫জন আহত হন।
এসময় পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ষ্টাইকিং ফোর্সের সদস্যদের সাথে সংঘর্ষ বাধে।
পুলিশের উপর তারা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ পাল্টা তাদের পাল্টা ধাওয়া করে। বিক্ষুদ্ধ জনতা আরো বেপরোয়া হলে পুলিশ তাদের উপর রাবার বুলেট ছুড়ে।
বিক্ষুব্ধ জনতারা পঞ্চগড় সদর ট্রাফিক অফিসের কাগজপত্র পুড়িয়ে দিয়ে তারা অফিসটি জ্বালিয়ে দেয়৷
কাদিয়ানীদের দুইটি দোকান ভাংচুর করে দিয়ে তাদের দোকানের মালামাল বের করে তারা পুড়িয়ে দেয়।
পঞ্চগড়ের সুগারমিল গেট, জালাসী মোড়, চৌরঙ্গী মোড়, তেতুঁলিয়া রোডস্থ এলাকা, ধাক্কামারা, বিজিবি এলাকা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধরা জড়ো হয়ে রাস্তা ব্যারিকেট দেয়। এতে করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পঞ্চগড় হতে ঠাকুরগাঁও, রংপুর, দিনাজপুরসহ দুরপাল্লার কোন গাড়ি পঞ্চগড় হতে ছেড়ে যায়নি। ফলে যাত্রীরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেন। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।
